Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

শুরু ঠান্ডা লড়াই! আমেরিকাকে মিসাইল হামলার হুমকি রাশিয়ার

দুই দেশের হঠকারি সিদ্ধান্তে ফিরেছে 'কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস'-য়ের ভয়াবহ দিনগুলি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৯, ০৯:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৯, ০৯:৫৫

options
link
শুরু ঠান্ডা লড়াই! আমেরিকাকে মিসাইল হামলার হুমকি রাশিয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিলেও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো যায় না। এই প্রবাদ যে কতটা সত্যি তা ফের প্রমাণ করল রাশিয়া ও আমেরিকা। দুই দেশের হঠকারি সিদ্ধান্তে ফিরেছে ‘কিউবান মিসাইল ক্রাইসিস’-য়ের ভয়াবহ দিনগুলি। ইউরোপ নয়া মিসাইল মোতায়েন করলে পালটা হামলা চালানো হবে বলে আমেরিকাকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বুধবার, বাতিল আইএনএফ চুক্তি নিয়ে আমেরিকাকে তুলোধনা করেন পুতিন। তাঁর অভিযোগ, জেনে বুঝেই ঠান্ডা লড়াইয়ের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি থেকে বেরিয়ে এসেছে ওয়াশিংটন। আর মস্কোর কাঁধেই পালটা দায় চাপাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিন পুতিন বলেন, “আমি পরিষ্কার ভাষায় প্রকাশ্যে বলছি, যে কোনও মিসাইল মোতায়েনে আমাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে পালটা হাতিয়ার মোতায়েন করা হবে। এবং প্রয়োজনে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের বিরুদ্ধে তা ব্যবহারও করা হবে।” তবে পুতিনের এই হুমকির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে আমেরিকা-সহ ন্যাটো দেশগুলি। রাশিয়ার সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন স্বরাষ্ট্রদপ্তর সাফ জানিয়েছে, কোনও নয়া মিসাইল বানানো হচ্ছে না। আইএনএফ চুক্তি নস্যাৎ করে মিথ্যে তথ্য পরিবেশন করছে মস্কো। 

Advertisement

উল্লেখ্য, সোভিয়েত জমানার শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল আইএনএফ চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ৫০০ কিলোমিটার থেকে ৫,০০০ কিলোমিটার পাল্লার সব ধরনের ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়। যার জেরে অস্ত্রভাণ্ডার গড়ার প্রতিযোগিতায় রাশ টানা গিয়েছিল। আতঙ্ক কাটিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল দু’টি মহাযুদ্ধের দুঃস্বপ্ন ভুলতে না পারা ইউরোপের মানুষ। ওই সময় বিভিন্ন পশ্চিমি দেশের রাজধানী লক্ষ্য করে মোতায়েন ছিল রুশ আণবিক অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র। চুক্তির ফলে সেই সংকট থেকে মুক্তি মেলে। কিন্তু ওই চুক্তিতে চিন-সহ অন্য কোনও দেশের ক্ষেত্রে এমন কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। সম্প্রতি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নয়া মিসাইল নির্মাণের অভিযোগ এনে এই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। পালটা দিয়েছে মস্কোও। পাশাপাশি, ২০২১-এ এসটিএআরটি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই টানাপোড়েনের জেরে ওই চুক্তির মেয়াদ বাড়া নিয়েও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাশিয়া-আমেরিকার কাছে সর্বোচ্চ কতগুলি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে, তা নিয়েই ওই চুক্তি হয়েছিল।সব মিলিয়ে দুই আণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে ফের যুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।        

             [ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি থেকে সরল রাশিয়া, আমেরিকাকে জবাব পুতিনের]                                 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.