নিরাপত্তার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম সুরক্ষিত রাষ্ট্রনেতা রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর বিদেশ সফরে থাকে পাঁচস্তরীয় নিরাপত্তাবলয়। তবে জানলে অবাক হবেন, নিরাপত্তার ‘চক্রব্যুহ’ থেকে বাদ যায় না তাঁর খাবারও! পুতিনের পাতে খাবার পৌঁছনোর আগে, তা অতিবাহিত হয় একাধিক কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে।
একাধিক সংবাদমাধ্যের খবর অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত খাদ্যব্যবস্থা মেনে চলার জন্য ৭৩ বছর বয়সি পুতিন পরিচিত। জানা যায়, বিদেশ সফরের সময় তিনি হোটেল বা আয়োজক দেশের কোনও ক্যাটারিং পরিষেবার উপর বিশ্বাস করেন না। পরিবর্তে, তিনি রাশিয়া থেকে নিজস্ব শেফ ও সহায়তা কর্মীদের একটি দল সঙ্গে নিয়ে ভ্রমণ করেন। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয় রান্নার উপকরণগুলি। শুধু তাই নয়, বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত নিরাপদ রান্নাঘরেই পুতিনের খাবার তৈরি করা হয়। শোনা যায়, তাঁর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ খাদ্য-পরীক্ষা করার সরঞ্জামও থাকে।
আরও পড়ুন:
পুতিনের পাঁচস্তরীয় নিরাপত্তাবলয়ের মতোই তাঁর আলাদ ‘ফুড প্রোটোকল’ রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদন অনুসারে, পুতিনের একজন খাদ্য পরীক্ষক আছেন, যিনি খাবার পরিবেশনের আগে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করেন। যদি সেই খাবার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তবেই তা পৌঁছয় পুতিনের পাতে। পানীয়ের ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা অবলম্বন করা হয়।
কিন্তু রুশ প্রেসিডেন্টের খাদ্য তালিকায় কী থাকে? জানা যায়, পুতিনের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা তুলনামূলকভাবে সরল এবং প্রোটিন-কেন্দ্রিক। প্রাতরাশে প্রায়ই থাকে ‘তভোরোগ’, যা এক ধরনের রুশ কটেজ চিজ। এটি মধুর সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। থাকে তাজা ফলের রস। সঙ্গে কখনও অমলেট বা কাঁচা কোয়েলের ডিম। এছাড়াও থাকে তাজা বা ‘স্মোকড’ মাছ। অন্যদিকে, রুশ প্রেসিডেন্টের খাদ্যতালিকায় মাঝে মাঝে ভেড়ার মাংসও অন্তর্ভুক্ত থাকে। সূত্রের খবর, তিনি অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলেন।
সর্বশেষ খবর
-
দুর্গন্ধে টেকা দায়! বাড়ির জানলায় উঁকি দিতেই হাড়হিম দৃশ্য গয়েশপুরে
-
কমিশনের লোভে সাইবার অপরাধীদের অ্যাকাউন্ট ভাড়া! তিনদিনে গ্রেপ্তার ৪০
-
দু’বছরের মধ্যেই! অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর নিয়ে বিরাট ঘোষণা শাহর
-
অধীরের ডাকে ছেড়েছিলেন চাকরি! সেই কাফির হাতেই মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব কংগ্রেসের
-
‘বাঙালিকে যদি নিজের শিক্ষা রুচি খুইয়ে…’, সৌরভের সঞ্চালনাকে কটাক্ষ রূপালির