২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাশিয়ায় রকেট বিস্ফোরণের ফলে মৃত্যু হল পাঁচজন পরমাণু বিজ্ঞানীর। জখম হয়েছেন আরও আটজন। এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রাশিয়ান নৌবাহিনীর একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্রে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তরপূর্ব রাশিয়ার সেভেরডভিন্সেক শহর থেকে কিছুটা দূরে বিশেষ ধরনের রকেট ইঞ্জিনের পরীক্ষা চলছিল। সেসময় আচমকা দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার পরমাণু গবেষণা বিষয়ক সংস্থা রোসাটম। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই এলাকার মানুষরা।

[আরও পড়ুন: ৩৭০ ঝটকায় বেসামাল পাকিস্তান, দিল্লি-লাহোর বাস পরিষেবা বন্ধ করল ইসলামাবাদ]

স্থানীয় সূত্র জানা গিয়েছে, নিয়েন্সাকা থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দূরে সেভেরডভিন্সেক শহর সংলগ্ন নৌসেনার পরীক্ষা কেন্দ্রে ওই রকেট ইঞ্জিনটির পরীক্ষা হচ্ছিল। হঠাৎ করে বিস্ফোরণ হয়। প্রথমে দু’জন নিহত ও ছ’জন জখম হয়েছে বলে জানা যায়। পরে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে রোসাটমের তরফে জানানো হয়। মৃতরা সবাই পরমাণু বিজ্ঞানী। 

ওই সংস্থা সূত্রে খবর, ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্রে রকেট ইঞ্জিনের জ্বালানি নিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছিল। সেসময় আচমকা দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিমিষের মধ্যে ওই রকেটের ইঞ্জিন থাকা তেজস্ক্রিয় তরল আশপাশের এলাকা ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে স্থানীয় পরিবেশে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। তবে প্রায় ঘণ্টাখানেক বাদে পরিস্থিতি ফের স্বাভাবিক হয়ে যায়। যদিও এই এলাকার নিকটবর্তী হোয়াইট সি নামে খ্যাত সমুদ্রের একটি অংশে কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ওই এলাকার জলে তেজস্ক্রিয় পদার্থ মিশেছে বলেই সন্দেহ করছেন গবেষকরা।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীর নীতি পালটায়নি, পাকিস্তানকে ধাক্কা দিয়ে ঘোষণা আমেরিকার  ]

এদিকে বৃহ্স্পতিবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটলেও প্রশাসন বিষয়টি প্রথমে প্রকাশ্যে আনতে চায়নি বলেই অভিযোগ উঠছে। কেউ কেউ বলেছেন, ওই পরীক্ষাগারে বিভিন্ন গোপনীয় অস্ত্র নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যেগুলির মধ্যে অনেক তেজস্ক্রিয় পদার্থও থাকে। এবার সেই ধরনের কোনও জিনিস নিয়ে পরীক্ষা চালানোর সময় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এরপর গোটা এলাকায় তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে পালাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং