৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেই চিড়িয়াখানা, সেই কুমির, সেই খাওয়ানো —একই প্রেক্ষাপট৷ শুধু বদলে গিয়েছে সেই চরিত্র, যিনি সরীসৃপকে এত যত্ন করে খাওয়াচ্ছেন৷ ১৫ বছর পর একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি৷ যা এই মুহূর্তে ভাইরাল নেটদুনিয়ায়৷

[আরও পড়ুন: দাউদ পাকিস্তানেই, এবার ইসলামাবাদের মুখোশ খুলে দিল আমেরিকা ]

যাকে বলে একেবারে বাপ কা বেটা৷ জীবনভর হিংস্র জন্তুদের সঙ্গে থেকে, তাদের হাতেই জীবন দিতে হয়েছে ‘ক্রোকোডাইল হান্টার’ স্টিভ আরউইনকে৷ বাবার এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতিতেও ভেঙে পড়েনি ছোট ছেলেমেয়েরা৷ সেই বয়স থেকেই বাবাকে দেখে দুই ভাইবোন, বিন্দি আর রবার্টের বন্ধু হয়ে গিয়েছিল সেই হিংস্র বন্যপ্রাণীরা৷ বড় হয়ে এরাই বাবার জীবপ্রেমের আদর্শে এগিয়ে চলেছে৷

সবে পনেরোয় পড়েছে স্টিভের ছেলে রবার্ট৷ কুমির, সিংহ, হাঙরদের সঙ্গে বন্ধুত্বের পাশাপাশি রবার্ট ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফারও৷ তবে এবার সে যা করল, তা যেন ফের তার বাবাকেই ফিরিয়ে আনল৷ অস্ট্রেলিয়ার সেই চিড়িয়াখানা, যেখানে স্টিভের নিত্য যাতায়াত ছিল, যেখানকার সরীসৃপরা স্টিভের উপস্থিতি মাত্রই সচল হয়ে উঠত, সম্প্রতি সেই চিড়িয়াখানায় পা রাখল রবার্ট৷ পরনে সেই একই পোশাক৷ যেন কমবয়সের স্টিভ৷ চিড়িয়াখানায় ঢুকেই রবার্ট চলে গেল একদা স্টিভের প্রায় পোষ্য কুমির মারে’র কাছে৷

১৫ বছরের ব্যবধান৷ মারের চেহারা পালটেছে৷ সবজেটে রং এখন কালচে৷ পালটেছে তার প্রভুও৷ মারের তুলনায় তার বর্তমান প্রভুও বেশ খানিকটা তরুণ৷ কিন্তু আশ্চর্য! নবাগতকে দেখে মোটেই তেড়ে এল না মারে৷ মুখ ফিরিয়ে চলেও গেল না৷ দিব্যি রবার্টের হাত থেকে খাবার খাওয়ার সময় খেলায় মেতে উঠল ১৫ বছর পেরিয়ে আসা কুমির৷ যেন ঠিক বুঝতে পেরেছে, স্টিভের মতোই তাঁর ছেলেও ওর বন্ধু৷

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে তিরিশ বছর পর দ্বারোদ্ঘাটন শিবমন্দিরের, সংস্কার করে ফের পূজার্চনা]

এসব নিজেই টুইট করে জানিয়েছে রবার্ট আরউইন৷ দুটি ছবি পোস্ট করে সে৷ একটি তার বাবার মারেকে খাওয়ানোর ছবি, আরেকটি তার নিজের৷ ছবির উপরে লেখা – ‘বাবা এবং আমি মারেকে খাওয়াচ্ছি…একই জায়গা, একই কুমির – ১৫বছরের ব্যবধান৷’ ছবিতে এও দেখা যায়, স্টিভ ও রবার্ট – দুজনই মারেকে খাওয়াচ্ছেন জনসমক্ষে, অর্থাৎ চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীদের সামনে৷ টুইটারে এসব ছবি নস্টালজিক হয়ে পড়েছে নেটিজেনদের একাংশ৷ রবার্টকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সবাই৷ যারা স্টিভের কাজ দেখেছেন, তারা অনেকেই বলছেন, কিশোর রবার্টের মধ্যে অবিকল তার বাবার ছায়া৷ বাবার মতোই সে ভয়ংকর বন্যপ্রাণীগুলোর বন্ধু হয়ে তাদের সঙ্গে জীবন কাটানোর ব্রত নিয়েছে যেন৷ আজকের দিনে যখন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিপন্ন বন্যপ্রাণ, সেখানে এভাবেই স্টিভ এবং তাঁর পরবর্তী প্রজন্ম জ্বালিয়ে রাখছে বন্ধুত্বের নরম আলো, সুনিবিড় আশা৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং