১১ বৈশাখ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেলবোর্ন একটি নাইট ক্লাবে বন্দুকবাজের হানা। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির৷ মৃত ব্যক্তি ওই নাইট ক্লাবের নিরাপত্তারক্ষী বলে জানা গিয়েছে৷ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের ভরতি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে৷ আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই সূত্রের খবর৷ এখনও আততায়ীকে পাকড়াও করতে পারেনি পুলিশ৷ তাঁর খোঁজ চলছে৷

[ আরও পড়ুন:  রানওয়েতে নামতে গিয়ে হেলিকপ্টারে ধাক্কা বিমানের, নেপালে মৃত অন্তত ৩  ]

জানা গিয়েছে, রবিবার ভোরে স্থানীয় সময় ৩টে ২০ মিনিট নাগাদ মেলবোর্নের নাইট ক্লাবে অতর্কিতে হামলা চালায় ওই আততায়ী৷ নাইট ক্লাবের বাইরে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে সে৷ গুলির আওয়াজ পেয়েই দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌঁড়তে থাকেন সাধারণ মানুষ৷ গুলিবিদ্ধ হন ওই নাইট ক্লাবের নিরাপত্তারক্ষী৷ ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর৷ আহত হন আরও তিনজন৷ মেলবোর্ন পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক অ্যান্ড্রিউ স্ট্যাম্পার জানান, “হামলার সময় নাইট ক্লাবের বাইরে প্রচুর ভিড় ছিল। সুযোগ বুঝেই নাইট ক্লাবের বাইরে গুলি চালায় আততায়ী।”

[ আরও পড়ুন: মহিলা সাংসদকে দেখে ভিড় বাসেই হস্তমৈথুন, ভিডিওতে প্রতিবাদ ]

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে, ভোর ৩টে নাগাদ দ্রুত গতিতে একটি কালো রঙের এসইউভি গাড়ি চড়ে নাইট ক্লাবের বাইরে এসে অপেক্ষা করছিল আততায়ী৷ সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর ওই গাড়ি থেকেই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে সে৷ এবং হামলার পর সেখান থেকে চম্পট দেয়৷ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ৷ তবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গাড়িটির খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা৷ প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই এক সন্ত্রাসবাদীর হানায় রক্তাক্ত হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেশী দেশ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্ট চার্চের দুটি মসজিদ৷ প্রার্থনা চলাকালীন মসজিদে হামলা চালায় এক আততায়ী৷ যাতে মৃত্যু হয় ৪৯ জনের৷ ১৯৯৬-তে অস্ট্রেলিয়ার পোর্ট আর্থুরে বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ৩৫ জনের৷ সেই হামলার পর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অস্ত্র আইন অনেক বেশি কঠোর করা হয়েছে৷ কিন্তু এরপরেও কীভাবে আততায়ীদের কাছে অস্ত্র এল, তা ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং