BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সর্ষের মধ্যেই ভূত, ইস্টার ডে হামলায় জড়িত সংসদের আধিকারিকই

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 21, 2019 12:17 pm|    Updated: May 21, 2019 12:17 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইস্টার ডে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার শ্রীলঙ্কার সংসদেরই একজন আধিকারিক। সোমবার একথা জানিয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রের এক শীর্ষ পুলিশকর্তা। জঙ্গিগোষ্ঠী ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতের সঙ্গে  ধৃত আধিকারিকের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ৷

[তাজিকিস্তানের জেলে আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষ, মৃত ৩২]

ইস্টার ডে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের পর তীব্র জঙ্গিদমন অভিযান শুরু হয়েছে গোটা শ্রীলঙ্কায়। ইসলামিক স্টেট হামলার দায়স্বীকার করলেও সেদেশের সরকারের দাবি, এর পিছনে ছিল নিষিদ্ধ ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠী ন্যাশনাল তৌহিদ জামাত (এনটিজে)। এনটিজে-র সঙ্গে যোগসাজশ থাকার অভিযোগে ছ’জন ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার সংসদের একজন আধিকারিকও রয়েছেন। শ্রীলঙ্কা পুলিশের মুখপাত্র রুবান গুণশেখর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এনটিজের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের হদিশ মেলার পর প্রাথমিকভাবে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন ওই জমির মালিক এবং একজন কুরুনেগালা হাসপাতালের কর্মী। ওই হাসপাতাল কর্মীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন জায়গায় টাকা পাঠানো হয়েছে। গত শনিবার ক্যান্ডির আলাবাথুগোড়া এলাকা থেকে একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শ্রীলঙ্কা সংসদের এক দপ্তরের সরকারি কর্মী। গত ১২ বছর ধরে তিনি সংসদে কাজ করছেন। তিনিই এনটিজে-র প্রধান প্রচারক এবং এই দ্বীপরাষ্ট্রের সর্বত্র এনটিজে-র প্রচার করেছেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

কয়েকদিন আগেই ইস্টার ডে হামলা নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ করেছে আইএস প্রধান আবু-বকর আল বাগদাদি৷ ভিডিওয় বাগদাদি বলে, খিলাফতের উপর হামলার বদলা নিতেই শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে৷ খিলাফত অর্থাৎ ইসলামের নামে সাম্রাজ্য তৈরির আকর্ষণ যেখানে অমুসলমানদের কোনও জায়গাই থাকবে না। শ্রীলঙ্কায় এই কাজটা করছে এনটিজে (ন্যাশনাল তৌহিদ জামাত)। শ্রীলঙ্কা গোয়েন্দাদের দাবি, এরা হল ইসলামিক স্টেটের ছায়া সংগঠন। এরাই দ্বীপরাষ্ট্রে খিলাফত আমদানি করেছে। এরাই এলটিটিই-র নব্য উত্তরসূরী। সবমিলিয়ে, দ্বীপরাষ্ট্রে এই মুহূর্তে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।  

[ভোটের পর চিন থেকে ভারতে কারখানা সরাতে চায় ২০০ মার্কিন সংস্থা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement