সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আবহে এখন প্রতিষেধকের খোঁজে হন্যে গোটা বিশ্ব। তার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর দাবি করে সাড়া ফেললেন ব্রিটিশ পরিসংখ্যানবিদরা। পরিসংখ্যানবিদদের সংস্থার দাবি, উপমহাদেশের বিশেষত ভারতীয়, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশিদের করোনায় মৃত্যুর সম্ভাবনা সর্বাধিক। কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের ক্ষেত্রেও একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এই সংস্থা। যদিও এই দাবি ঘিরে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। কারণ প্রথম বিশ্বের দেশগুলিতে, শ্বেতাঙ্গদেরই মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি পৃথিবীতে। তুলনায় উপমহাদেশে মৃত্যুর পরিসংখ্যান অনেক কম। তবুও এই দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এর মূল কারণ হিসাবে উপমহাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে দায়ী করেছেন পরিসংখ্যানবিদরা। বিভিন্ন সম্প্রদায়গুলিকে মডেল হিসাবে ব্যবহার করে এই তত্ত্ব খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা। বলছেন, করোনায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদের ঝুঁকি বেশি। প্রথম বিশ্বের দেশগুলির তুলনায় উপমহাদেশের ভারতীয়, পাকিস্তানি এবং বাংলাদেশিদের করোনায় মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রবল। বয়স, লিঙ্গ ও বর্ণের ভিত্তিতেও যে করোনা আঘাত হানতে পারে তা মানছেন পরিসংখ্যানবিদরা।
[আরও পড়ুন: ‘যে কোনওদিন খুন হতে পারি’, করোনা গবেষকের মৃত্যু নিয়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য]
যদি অব্যর্থ প্রতিষেধক কোনওদিন আবিষ্কৃত হয়, যার চেষ্টা চলছে তাহলেও তার ফলপ্রসু হওয়ার সম্ভাবনা মানুষের জিনগত বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করবে বলে মত পরিসংখ্যানবিদরা। কেন কৃষ্ণাঙ্গরা করোনা গ্রাসে যেতে পারেন তার উদাহরণ হিসাবে বিশেষজ্ঞরা পরিসংখ্যান দিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, মিশ্র প্রজাতি ও চিনাদের তুলনায় ভারতীয়, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতদের মৃত্যুর হার প্রায় দ্বিগুণ। আমেরিকার পরিসংখ্যান দেখলেও দেখা যাবে, আফ্রো-আমেরিকানদের মৃত্যুর হার শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় বেশি।
[আরও পড়ুন: পার্ল হারবার, ৯/১১ হামলার চাইতেও ভয়াবহ আক্রমণ করোনার, মানলেন ট্রাম্প ]
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার