Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
China

মার্কিন মদতে বলীয়ান হয়ে ১৩ চিনা অনুপ্রবেশকারীকে আটক করল তাইওয়ান

আর চিনের রক্তচক্ষুকে পরোয়া করছে না তাইওয়ান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২১, ০৯:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২১, ০৯:২৬

options
link
মার্কিন মদতে বলীয়ান হয়ে ১৩ চিনা অনুপ্রবেশকারীকে আটক করল তাইওয়ান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাশে আছে ‘বন্ধু’ আমেরিকা। তাই মাভৈ! এবার আর চিনের রক্তচক্ষুকে পরোয়া করছে না তাইওয়ান (Taiwan)। এবার জলসীমায় অনুপ্রবেশ করার জন্য একটি চিনা নৌকা ও ১৩ মৎসজীবীকে আটক করল দ্বীপরাষ্ট্রটির উপকূলরক্ষী বাহিনী।

[আরও পড়ুন: মর্মান্তিক! মিশরে দু’টি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত অন্তত ৩২, আহত বহু]

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার তাইওয়ানের কিলাং উপকূলের পেংজিয়া দ্বীপের পাশে অনুপ্রবেশ করে একটি চিনা মাছ ধরার নৌকা। ফলে তাদের আটক করে তাইওয়ানের উপকূলরক্ষী বাহিনী। বলে রাখা ভাল, পেংজিয়া দ্বীপটিতে খনিজ পদার্থের ভাণ্ডার রয়েছে। এছাড়া, মাছ ধরার জন্য ওই দ্বীপটির আশপাশের এলাকা অত্যন্ত ভাল। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন। পেংজিয়া দ্বীপ আসলে একটি সামরিক ঘাঁটি। কারণ দ্বীপটিতে সাধারণ নাগরিকদের যেতে দেওয়া হয় না। সেখানকার নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে তাইওয়ানের সেনাবাহিনীর হাতে রয়েছে। ফলে আটক হওয়া চিনা মৎসজীবীরা লালফৌজের চর হতে পারে বলেও আশঙ্কাএ করা হচ্ছে।

Advertisement

সম্প্রতি কমিউনিস্ট দেশটির কার্যকলাপ নজরে রেখে নয়া চুক্তিতে সই করেছে আমেরিকা ও তাইওয়ান। সমুদ্রে চিনা নৌবহরের আগ্রাসী কার্যকলাপের কথা মাথায় রেখে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে আমেরিকা ও জাপানের উপকূলরক্ষী বাহিনীর মধ্যে। তাইওয়ানে আমেরিকার ডি ফ্যাক্টো দূতাবাস ‘আমেরিকান ইন্সটিটিউট’ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মউ-য়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, তথ্যের আদানপ্রদান ও কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়টি রয়েছে। এই বিষয়ে তাইওয়ানের প্রিমিয়ার সু সেং-চ্যাং জানান। গত জানুয়ারি মাসে নিজেদের উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য একটি নতুন আইন প্রণয়ন করে চিন। ওই আইনে ভিন দেশের ‘অনুপ্রবেশকারী’ জাহাজ ও নৌকোর উপর হামলা চালানোর স্বাধীনতা দেওয়া হয় চিনা উপকূলরক্ষীদের। ফলে তারা আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। তাই ওই অঞ্চলে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত অবস্থাতেই বৈঠকে ইমরান খান! তীব্র সমালোচনার ঝড় পাকিস্তানে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.