Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

লোকালয় ছেড়ে পাহাড়ে, বাংলাদেশকে রক্তাক্ত করতে নয়া পন্থা জেহাদিদের

পুলিশের জালে সাত মহিলা জঙ্গি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:২৮

options
link
লোকালয় ছেড়ে পাহাড়ে, বাংলাদেশকে রক্তাক্ত করতে নয়া পন্থা জেহাদিদের zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রক্তাক্ত হবে বাংলাদেশ। ছড়াবে জেহাদের বিষবাষ্প। গণতন্ত্রকে হত্যা করে প্রতিষ্টিত হবে শরিয়ত রাজ। এমনটাই ভয়াবহ ষড়যন্ত্র রচনা করছে সন্ত্রাসবাদিরা। ভয়ঙ্কর এই তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। ফলে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

তা কী সেই ষড়যন্ত্র?

Advertisement

গত সোমবার রাঙামাটি জেলায় অভিযান চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। গ্রেপ্তার করা হয় মৌলবাদী সংগঠন জামাত-ই-ইসলামির ছয় সদস্যকে। তাদের জেরা করতেই ফাঁস হয় ভয়াবহ তথ্য। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, লোকালয় নয়, এবার পাহাড়ি এলাকায় ঘাঁটি বানিয়েছে জেহাদিরা। সেখান থেকেই ছকে ফেলা হচ্ছে নাশকতার কাজ। এমনকি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে হামলার পরিকল্পনাও ছিল তাদের। তবে প্রশাসনের সতর্কতায় তা ভেস্তে যায়। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সন্ত্রাসবাদ দমনে উঠেপড়ে লেগেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা-সহ বিভিন্ন জেলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জঙ্গিদের ডেরা। নিরাপত্তারক্ষীদের বুলেটে নিকেশ হচ্ছে জেহাদিরা। সাধারণত জনবহুল এলাকাতেই গা ঢাকা দিয়ে থাকে জঙ্গিরা। এতে পুলিশের চোখ এড়ানো যায়। এছাড়াও অপারেশন চালাতে সুবিধাও হয়। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে লোকালয়ে থাকতে সাহস পাচ্ছে না জঙ্গিরা। ফলে পাহাড়ি এলাকায় গভীর জঙ্গলে আস্তানা বানিয়েছে তারা।

পুলিশ সূত্রে খবর, জেহাদি কার্যকলাপের নেপথ্যে রয়েছে জামাত। সন্দেহ এড়াতে দলে ভরতি করা হচ্ছে যুবতীদের। চলতি মাসের ২৬ তারিখ লংগদু এলাকা থেকে ইসলামি ছাত্রী সংস্থার সদস্য সাত যুবতীকে আটক করে পুলিশ। যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম আলির প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ওসমান গনির বাড়ি থেকে আটক করা হয় তাদের। উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেম আলিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রঞ্জন কুমার সামন্ত জানান, শহর এলাকায় পুলিশি তৎপরতার কারণে পন্থা পালটেছে জঙ্গিরা। এখন দুর্গম এলাকা বেছে নিয়ে ঘাঁটি বানাচ্ছে তারা। আগামী নির্বাচনে নাশকতা ঘটাতে তৎপর হয়েছে জেহাদিরা। তিনি আরও জানান, দুর্গম এলাকা হওয়ায় লংগদুকে বেছে নিয়েছে জঙ্গিরা। রাঙামাটির পাহাড়ি জেলা সদর থেকে লংগদুতে যাওয়ার একমাত্র ব্যবস্থা নৌপথ। এই দুর্গম এলাকায় জড়ো হয়েছিল ধৃতরা। সব মিলিয়ে, বাংলাদেশকে অশান্ত করতে ফের উঠেপড়ে লেগেছে জঙ্গিরা তা স্পষ্ট।

[আমার ভুল হতে পারে, কিন্তু কর্নাটকের মানুষের হবে না: অমিত শাহ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.