১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শরণার্থী-স্রোত আটকাতে এ বার কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে আমেরিকা। স্বভাবসিদ্ধ নাটকীয় ভঙ্গিতে সে কথা ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান, গুয়েতেমালাও এই ব্যাপারে আমেরিকার সঙ্গে রয়েছে।

[আরও পড়ুন: বালাকোট হামলার জের, পদ খোয়ালেন আইএসআই প্রধান]

টুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে মার্কিন অভিবাসন দপ্তর অবৈধ শরণার্থী খুঁজতে কাজ শুরু করবে। এর মধ্যে যেখানেই কোনও সমস্যা দেখা দেবে, সেই বিষয়ে ট্রাম্প নিজে খতিয়ে দেখবেন। এবং কারও কোনও কাগজপত্রে গন্ডগোল দেখা গেলে সেই শরণার্থীকে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।” ট্রাম্প জানান, অনেকে অভিযোগ করছে যে, আমেরিকা থেকে গুয়েতেমালায় গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছেন বহু শরণার্থী। সে জন্য এই নতুন অভিযানে গুয়াতেমালাকে পাশে পেয়েছে আমেরিকা। বাদ যায়নি হণ্ডুরাসও। তথ্য বলছে, শরণার্থীদের উপর আমেরিকায় চলতি অর্থবর্ষে সাড়ে তিনশো লক্ষ ডলার খরচ করছে। তবে এই শরণার্থী সমস্যা মেটাতে এতদিনে এগিয়ে এসেছে মেক্সিকো।

হোয়াইট হাউসের বাইরে গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ট্রাম্প। হাতে একটি কাগজ, তাতে অনেক কিছু লেখা এবং নিচে সই করা। কাগজটি নাড়তে-নাড়তে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি জানান, যা লেখা আছে, তা একেবারে ‘গোপন’। এটুকু বলতে দ্বিধা নেই, মেক্সিকো-আমেরিকা চুক্তি হয়েছে। এবং চুক্তিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে শরণার্থী-স্রোত আটকাতে প্রাথমিক ভাবে কিছু পদক্ষেপ করতে চলেছে তারা। সেগুলি সফল না হলে ৪৫ দিনের মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নেবে মেক্সিকো। অন্যদিকে, এইচ-৪ ভিসা নিয়েও সমস্যা কাটেনি এখনও। এইচ১-বি ভিসায় যাঁরা আমেরিকায় আসেন, তাঁদের সঙ্গে স্বামী বা স্ত্রী এইচ-৪ ভিসা নিয়ে আমেরিকায় কাজ করতে পারেন। সে ব্যাপারে কিছু দিন আগেই ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, এইচ১-বি ভিসা পাওয়া যেমন কঠিন করেছে, এইচ-৪ ভিসা পেতেও কষ্ট করতে হবে ভারতীয়দের।

[পড়ুন পড়ুন: চিনপন্থী প্রশাসক ক্যারি লামের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হংকং]

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং