Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Cannabis

গাঁজা ও চরস বিপজ্জনক মাদক নয়! রাষ্ট্রসংঘের ‘ঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্তে সায় ভারতেরও

চিন, রাশিয়া ও পাকিস্তান প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২০, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২০, ১৪:২৮

options
link
গাঁজা ও চরস বিপজ্জনক মাদক নয়! রাষ্ট্রসংঘের ‘ঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্তে সায় ভারতেরও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ৫৯ বছর ধরেই রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) বিপজ্জনক মাদকের (Narcotic) তালিকায় ছিল গাঁজা (cannabis)। এমনকী, চিকিৎসা ক্ষেত্রেও এর ব্যবহার নিয়ে ছিল তীব্র আপত্তি। কিন্তু এবার গাঁজা ও চরসকে বিপজ্জনক মাদকের তালিকা থেকে সরানোর প্রস্তাবের পক্ষে ৫৩টি সদস্য দেশের মধ্যে সাড়া দিল ২৭টিই। যার অন্যতম ভারত।

গত বুধবার রাষ্ট্রসংঘের মাদক বিষয়ক কমিশনের ৬৩তম অধিবেশন বসেছিল। সেই সময়ই এই ভোট নেওয়া হয়েছে। ভারত ছাড়াও আমেরিকা ও ইউরোপের বহু দেশই সায় দেয় বিপজ্জনক মাদকের তালিকা থেকে গাঁজা ও চরসকে সরানোর ব্যাপারে। প্রস্তাবের বিরোধিতা করে পঁচিশটি দেশ। যাদের অন্যতম চিন, রাশিয়া ও পাকিস্তান। একমাত্র ইউক্রেনই কোনও দিকে মত দেয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনাযুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, এপ্রিল থেকে দেশবাসীকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘোষণা ইমরানের]

কিন্তু ১৯৬১ সালের সিঙ্গল কনভেনশন অফ নারকোটিক ড্রাগসের চার নম্বর তালিকা থেকে কেন বাদ দেওয়া হল গাঁজা ও চরসকে? রাষ্ট্রসংঘের বক্তব্য, এই ধরনের মাদক অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেআইনি হলেও সাধারণভাবেই এদের ব্যবহার হয়। এবার এগুলিকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের রাস্তা খুলে দেওয়া হল। এই ভোটকে ‘ঐতিহাসিক’ বলেও জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন অনুযায়ী গাঁজা উৎপাদন অথবা কাছে রাখা দণ্ডনীয় অপরাধ। সম্প্রতি বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্ত সূত্রে উঠে আসে মাদক যোগের বিষয়টিও। যে অভিযোগে মৃত অভিনেতার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী ও তাঁর ভাই শৌভিককে গ্রেপ্তারও করা হয়। পরবর্তী সময়ে আরও অনেক বলিউড সেলেব্রিটিকে এজন্য জেরা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারির সংখ্যা কুড়িরও বেশি। কয়েক দিন আগে কমেডিয়ান ভারতী সিং ও তাঁর স্বামীকেও এই অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO রাষ্ট্রসংঘের মাদক তালিকা নিয়ে ছ’টি প্রস্তাব দেয়। তার অন্যতম ছিল গাঁজা ও চরসকে বিপজ্জনক মাদকের তালিকা থেকে সরানোর। মার্চে সেই প্রস্তাব পেশ করা হয় রাষ্ট্রসংঘের মাদক বিষয়ক কমিশনের সামনে। কিন্তু সদস্য দেশগুলিকে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা ভোটাভুটিতে আগ্রহ দেখায়নি। অবশেষে সেই ভোট অনুষ্ঠিত হল এবার। রাষ্ট্রসংঘের মাদক তালিকা থেকে গাঁজার বাদ পড়ার সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। হয়তো রাতারাতি তেমন পরিবর্তন চোখে পড়বে না। এখনও বহু দেশেই গাঁজা সংক্রান্ত কঠোর নিয়ম চালু রয়েছে। তবে আগামী দিনে রাষ্ট্রসংঘের সিদ্ধান্তের প্রভাব তাতে পড়বে বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

[আরও পড়ুন: সন্ত্রাসে অর্থ যোগানের দায়ে পাকিস্তানে জেল হেফাজত জামাত-উদ-দাওয়ার ৩ শীর্ষ নেতার]

এদিকে বিপজ্জনক মাদকের তালিকা থেকে সরলেও এক নম্বর তালিকা থেকে সরানো হয়নি গাঁজা ও চরসকে। প্রসঙ্গত, এই তালিকাভুক্ত মাদকগুলি কম বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.