Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Tulsi Gabbard

হামলার আগে ইরান পরমাণু সমৃদ্ধকরণ শুরুই করেনি! গ্যাবার্ডের মন্তব্যে চাপে ট্রাম্প

এর আগে রাষ্ট্রসংঘের পরমাণু নজরদার সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)-র প্রধান রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি জানিয়েছিলেন, ইরানে পরমাণু বোমা তৈরির কোনও আকাট্য প্রমাণ আমরা পাইনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৭:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৭:৪৬

options
link
হামলার আগে ইরান পরমাণু সমৃদ্ধকরণ শুরুই করেনি! গ্যাবার্ডের মন্তব্যে চাপে ট্রাম্প zoom
সেনেট কমিটিতে সাক্ষ্য গ্যাবার্ডের। বৃহস্পতিবার।
Advertisement

নিজের প্রশাসনের শীর্ষ কর্তার বক্তব্যেই প্রশ্নের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ডের (Tulsi Gabbard) একটি সাক্ষ্য এবং কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের প্রধান জো কেন্টের পদত্যাগ ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যার জেরে ইরানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধের আইনি ও নৈতিক ভিত্তি নিয়ে খোদ মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরেই নজিরবিহীন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সেনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটিতে দেওয়া লিখিত সাক্ষ্যে তুলসী গ্যাবার্ড স্বীকার করেছেন, ২০২৫ সালের জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর পর ইরান তাদের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা পুনর্গঠনের কোনও চেষ্টাই করেনি। গ্যাবার্ডের এই মূল্যায়ন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি খণ্ডন করে। কারণ, তিনি ইরানকে একটি ‘আসন্ন পরমাণু হুমকি’ হিসাবে চিহ্নিত করে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন। মজার বিষয় হল, গ্যাবার্ড জনসমক্ষে দেওয়া ভাষণে এই অংশটি এড়িয়ে গেলেও ডেমোক্র্যাট সেনেটরদের জেরার মুখে তিনি তথ্যের সত্যতা অস্বীকার করতে পারেননি। সেনেটর মার্ক ওয়ার্নার এটিকে ‘প্রেসিডেন্টের ভুল তথ্যকে আড়াল করার চেষ্টা’ হিসাবে অভিহিত করেছেন।

Advertisement

গ্যাবার্ড স্বীকার করেছেন, ২০২৫ সালের জুনে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর পর ইরান তাদের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা পুনর্গঠনের কোনও চেষ্টাই করেনি।

এদিকে, ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের পরিচালক জো কেন্ট এই যুদ্ধের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম হাই-প্রোফাইল কর্মকর্তা হিসাবে কেন্ট তাঁর পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, ‘ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনও আসন্ন হুমকি ছিল না। এই যুদ্ধে জড়ানো ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।’ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনও সার্বভৌম দেশের ওপর হামলা চালাতে হলে ‘আসন্ন হুমকি’ প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক। গ্যাবার্ডের গোয়েন্দা রিপোর্ট যদি প্রমাণ করে যে, ইরানের পরমাণু সক্ষমতা ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, তবে ট্রাম্পের এই সামরিক পদক্ষেপ অবৈধ হিসাবে গণ্য হতে পারে।

এর আগে রাষ্ট্রসংঘের পরমাণু নজরদার সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)-র প্রধান রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি জানিয়েছিলেন, ইরানে পরমাণু বোমা তৈরির কোনও আকাট্য প্রমাণ আমরা পাইনি। তবে একইসঙ্গে তিনি এটাও জানান, ‘পরমাণু বোমা তৈরির কোনও প্রমাণ না মিললেও, সেখানে পরমাণু অস্ত্র তৈরির উপযোগী প্রচুর পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুত রাখা হয়েছে। এবং সেখানে আমাদের পরিদর্শকদের পর্যবেক্ষণের কাজে বাধা দেওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগের।

উল্লেখ্য, গত বছর গাজা যুদ্ধ চলাকালীন ইরানের পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। পরমাণু নিয়ে কাজ চলছে এমন একাধিক কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। দাবি করা হয়ে, ৬০ শতাংশ পরিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম তৈরির কাজে সফল হয়েছে তারা। যা শান্তিপূর্ণ ইউরেনিয়াম কর্মসূচির চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক। যদিও ইরান শুরু থেকেই দাবি করে এসেছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.