Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে আমেরিকা, যুদ্ধপ্রস্তুতি শুরু মার্কিন সেনার

ইউরোপের দেশগুলি থেকে কমছে মার্কিন সেনার সংখ্যা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১১:৪২

options
link
চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে আমেরিকা, যুদ্ধপ্রস্তুতি শুরু মার্কিন সেনার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমেই বেড়ে চলেছে চিনা আগ্রাসন। তাতেই মুখ ভার হচ্ছে আমেরিকার (America)। ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সংঘর্ষকেও মোটেই ভালো চোখে দেখছে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাই দেরি না করে এইবেলাই এশিয়ার দেশগুলিতে মার্কিন সেনাকে প্রস্তুত করে রাখতে চায় আমেরিকা। ফলে ইউরোপের দেশগুলি থেকে কমছে মার্কিন সেনার সংখ্যা।

সীমান্ত সংঘর্ষ নিয়ে ভারত-চিনের মধ্যে বৈঠক চলছে দফায় দফায়। কিন্তু সমাধান সূত্র এখনও অধরা। ১৫ জুনের পর থেকেই ইন্দো-চিন দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমেই সমঝোতার প্রসঙ্গ তুলে ধরলেও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিতই মিলছে না। নিজের অবস্থানে অনড় থাকছে চিন। অপরদিকে চিনের এই আগ্রাসী মনোভাবকে মোটেই মেনে নিতে পারছে না আমেরিকা। বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসের এক ভিডিও বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশসচিব মাইক পম্পেও (Mike Pompeo) জানান, “ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপিন্সের মতো এশিয় দেশগুলির উপর যেভাবে রণংদেহী মনোভাব নিয়েছে চিন তা যথেষ্টই উদ্বেগের।” তবে প্রশ্ন ছিল ইউরোপ থেকে কেন মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা? সেই প্রশ্নের জবাবে মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, “বর্তমানে যেখানে বেশি প্রয়োজন সেখানেই সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:করোনা পরীক্ষার একাধিক রিপোর্ট নেগেটিভ, তবু সংক্রমণের আতঙ্কে কাঁটা ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট]

বৃহস্পতিবার চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনাও করেন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও। তাঁর কথায়, “চিনের কমিউনিস্ট পার্টির পদক্ষেপ শুধু ভারতের জন্য হুমকি নয়। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া (Indonesia), মালয়েশিয়া (Malaysia), ফিলিপিন্সও (Philippines) চিনের হুমকির মুখে। বর্তমানের পরিস্থিতিকে সামাল দিতে মার্কিন সেনাকে জার্মানি থেকে সেরিয়ে আনা হচ্ছে।” মার্কিন বিদেশ সচিব যে শুধুমাত্র ইন্দো-চিন সীমান্ত সংঘাতে ক্ষুব্ধ তা নয়, দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের তত্‍‌পরতা নিয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করেন তিনি।

[আরও পড়ুন:প্রকাশ্যে পাকিস্তানের স্বরূপ, লাদেনকে ‘শহিদ’ আখ্যা ইমরান খানের]

এদিন মার্কিন বিদেশ সচিবের কথায় চিনের লালফৌজকে মোকাবিলা করার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যায়। গত সপ্তাহেও মাইক পম্পে চিনের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেছিলেন। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা বৃদ্ধি ও কৌশলগতভাবে দক্ষিণ চিন সাগরের সামরিকীকরণের জন্যে চিনাবাহিনীর নিন্দা করেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.