Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Taliban

Taliban Terror: ‘আমরা কাফেরদের হত্যা করি’, কুৎসিত চেহারা প্রকাশ করে হুঙ্কার তালিবানের

আফগানিস্তানে মানবাধিকার রক্ষা কর্মী ও মহিলাদের উপর হামলা রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১, ১৫:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১, ১৫:০০

options
link
Taliban Terror: ‘আমরা কাফেরদের হত্যা করি’, কুৎসিত চেহারা প্রকাশ করে হুঙ্কার তালিবানের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও তালিবানের শাসনে বিবর্তনের পথে পিছু হাঁটছে আফগানিস্তান (Afghanistan)। জেহাদিদের জমানায় সেদেশে নারীশিক্ষা, মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলির যে কোন মূল্য নেই তা স্পষ্ট। এবার নিজেদের কুৎসিত চেহারা ফের প্রকাশ্যে এনে মহিলাদের অধিকারের দাবিতে মিছিল করা এক মানবাধিকার রক্ষা কর্মীকে ‘কাফের’ আখ্যা দিয়ে হত্যার হুমকি দেয় জঙ্গিরা।

[আরও পড়ুন: ৯/১১-র স্মৃতিতে আঘাত! টুইন টাওয়ার হামলায় নিহতদের জন্য তৈরি সৌধে লেখা হল ‘তালিবান’]

বুধবার কাবুলে মহিলাদের অধিকারের দাবিতে মিছিলে শামিল হয়েছিলেন মানবাধিকার কর্মী হাবিবুল্লা ফরজাদ। তবে তিনি একা নন ওই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন অনেকেই। আফগানিস্তানে তাঁদের সমান অধিকার ফেরানোর দাবিতে আয়োজিত সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মহিলাদের সমর্থন জানানোয় ‘ইসলাম বিরোধিতার’ অপবাদে তাঁর মতো আরও অনেকের উপরেই এমন অত্যাচার চালায় তালিবান। সেই তালিকায় রয়েছেন একাধিক সাংবাদিকও। মিছিলের উপর হামলা চালানো তালিব জঙ্গিদের কথায়, “আমরা কাফেরদের হত্যা করি।

Advertisement

নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে হাবিবুল্লা ফরজাদ বলেন, “আমাকে পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলে তালিবরা (Taliban)। তারপর একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। একসময় মারের চোটে আমি জ্ঞান হারাই। তারপর আমাকে অন্য একটি কামরায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেশ কয়েকজনকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে সাংবাদিকরাও ছিলেন।”

উল্লেখ্য, আফগানিস্তান তালিবানের দখলে চলে যাওয়ার পর থেকে মানবাধিকার রক্ষা কর্মীদের উপর এ রকম হামলা প্রায় রোজকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষমতা দখলের পরই তালিবানের সুপ্রিমো হায়বাতোল্লা আখুন্দজাদা সাফ জানিয়েছিল যে, গণতন্ত্র নয়, আফগানিস্তানে জীবন চলবে শরিয়ত আইন মেনে। ফলে ‘ইসলামিক আমিরশাহী’ বা ‘ইসলামিক এমিরেটস অফ আফগানিস্তান’-এ সংখ্যালঘু ও মহিলাদের পরিণাম কী হতে চলেছে তা স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে মহিলা ও পুরুষদের বসার জায়গা আলাদা করেছে তালিবান। মহিলাদের খেলাধুলোয় অংশ নিতে বরং করা হয়েছে। সবমিলিয়ে আবারও দেশটিতে অন্ধকার যুগ ফিরে এসেছে।

[আরও পড়ুন: Taliban Terror: আফগানিস্তানে নবগঠিত তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে তোড়জোড় শুরু দিল্লির]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.