কোহিনুর (Kohinoor)। নামেই দ্যুতি ছড়ায়। বিশ্বের সবচেয়ে দামী হিরেটি পাওয়ার স্বপ্ন একবারের জন্যও দেখেননি, এমন ব্যক্তির সংখ্যা নগণ্যই। কিন্তু ভাগ্যচক্রে মহামূল্যবান, ঔজ্জ্বল্যময় হীরক খণ্ডের অধিকারী এককভাবেই ব্রিটিশ রাজপরিবারের, যা নিয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলছে বিতর্ক। এই পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির মুখে কোহিনুর ফেরানোর বাসনা।
সম্প্রতি মার্কিন ভূমে গিয়েছিলেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। সেখানে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মামদানি (Zohran Mamdani)। বৈঠকের আগে মামদানি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “ব্রিটেনের রাজার সঙ্গে আলাদাভাবে যদি আমি সাক্ষাৎ করতে পারতাম, তাহলে আমি তাঁকে কোহিনুর হীরেটি ভারতে ফিরিয়ে দিতে উৎসাহিত করতাম।” তবে দু’জনের বৈঠকে বিষয়টি উথ্থাপিত হয়েছে কি না, সেটা জানা যায়নি। ভারতে কোহিনুর ফেরানোর দাবি উঠেছে বহুবার। নয়াদিল্লি একসময়ে বলেছিল, “কোহিনুর একটি মূল্যবান শিল্পকর্ম, যার শিকড় দেশের ইতিহাসে গভীরভাবে প্রোথিত।” কিন্তু শেষ পর্যন্ত মহামূল্যবান হীরেটি নিজেদের কাছেই রেখে দিয়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবার। এই পরিস্থিতিতে মামদানির মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও নিউ ইয়র্কের মেয়রের এই মন্তব্য নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ব্রিটিশ রাজপরিবার।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ১৮৪৯ সেলে ভারত থেকে কোহিনুর হীরে ইংল্যান্ডে নিয়ে যায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। সেখানে রানি ভিক্টোরিয়া হিরেটিকে রাজভূষণের অংশ করে নেন তিনি। ১৯৩৭ সালে রাজা পঞ্চম জর্জের রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর স্ত্রী রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মুকুটে বসানো হয় কোহিনুরকে।
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার নেহরু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন, হকিতে ভারত জয় পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের
-
হকার উচ্ছেদ ঘিরে কৃষ্ণনগর স্টেশনে ধুন্ধুমার! পুলিশের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতি সিটু, এসইউসিআই কর্মীদের
-
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
-
সরকারি কাজেই আধারের অপব্যবহার? এবার কেন্দ্র ও UIDAI-কে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
-
ভাঙছে আরও একটি পুর বোর্ড! ইস্তফা দিলেন দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান