Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Helium

হাসপাতালে থমকে যাচ্ছে MRI যন্ত্র! হরমুজ বন্ধে বিশ্বজুড়ে হিলিয়াম সংকট, স্তব্ধ প্রযুক্তি ক্ষেত্রও

গোটা বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ হিলিয়াম গ্যাস রপ্তানি হয় হরমুজ প্রণালী থেকে। ভারত চাহিদার ১০০ শতাংশ হিলিয়ামই বাইরে থেকে আমদানি করে। যুদ্ধের জেরে তা কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০০:০৮

options
link
হাসপাতালে থমকে যাচ্ছে MRI যন্ত্র! হরমুজ বন্ধে বিশ্বজুড়ে হিলিয়াম সংকট, স্তব্ধ প্রযুক্তি ক্ষেত্রও zoom
হরমুজ বন্ধে বিশ্বজুড়ে হিলিয়াম সংকট।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ ছিন্নভিন্ন করেছে আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেন। হরমুজে ইরানের নিষেধাজ্ঞায় জ্বালানি তেল ও এলএনজি-র অভাবে ধুঁকছে পৃথিবী। তবে শুধু তেল নয় হরমুজে তালা পড়ায় বিপাকে প্রযুক্তি, চিকিৎসাক্ষেত্র ও সেমিকন্ডাক্টের মতো ক্ষেত্রগুলিতে। কারণ, এইসব ক্ষেত্রগুলি সচল রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী হল হিলিয়াম গ্যাস। গোটা বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ হিলিয়াম গ্যাস রপ্তানি হয় হরমুজ প্রণালী থেকে। ভারত চাহিদার ১০০ শতাংশ হিলিয়ামই বাইরে থেকে আমদানি করে। যুদ্ধের জেরে তা কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে।

এলএনজি উত্তোলনের মাধ্যমেই পাওয়া যায় গুরুত্বপূর্ণ হিলিয়াম গ্যাস। যা ব্যবহৃত হয় প্রযুক্তি, চিকিৎসাক্ষেত্র, মহাকাশ গবেষণা ও সেমিকন্ডাক্টে। গ্যাসটি অত্যন্ত হালকা হওয়ায় একে সংরক্ষণ করা কঠিন। সংরক্ষণ করা হলেও ধীরে ধরে এটি বায়ুমন্ডলে মিশে যায়। যা পুনরুদ্ধার করা অসম্ভব। এদিকে রিপোর্ট বলছে, বিশ্বব্যাপী হিলিয়ামের মজুদ মাত্র ৪৫ দিনের জন্য সীমাবদ্ধ। সুতরাং, হরমুজ প্রণালী চালু না হলে, পৃথিবীজুড়ে ভয়াবহ আকার নেবে সংকট। এদিকে জানা যাচ্ছে, ইরানের হামলায় কাতারে জ্বালানি গ্যাসের উৎপাদন ক্ষেত্র ভয়ংকরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলএনজির পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হিলিয়াম উৎপাদন। গোটা পৃথিবীর চাহিদার ৩০ থেকে ৩৩ শতাংশ হিলিয়াম আসে কাতার থেকে। আমেরিকা ও রাশিয়া কিছুটা হিলিয়াম উৎপাদন করলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে।

Advertisement

এলএনজি উত্তোলনের মাধ্যমেই পাওয়া যায় গুরুত্বপূর্ণ হিলিয়াম গ্যাস। যা ব্যবহৃত হয় প্রযুক্তি, চিকিৎসাক্ষেত্র, মহাকাশ গবেষণা ও সেমিকন্ডাক্টে। গ্যাসটি অত্যন্ত হালকা হওয়ায় একে সংরক্ষণ করা কঠিন। সংরক্ষণ করা হলেও ধীরে ধরে এটি বায়ুমন্ডলে মিশে যায়।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিলিয়াম সংকটে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে চলেছে বিশ্বের চিকিৎসাক্ষেত্র। সবচেয়ে বেশি হিলিয়াম ব্যবহৃত হয় এমআরআই মেশিনে। ফলে এর ঘাটতি পৃথিবীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিরাট ধাক্কা দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাধার মুখে পড়বে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সেমিকন্ডাক্টরের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে। এই শিল্পে হিলিয়ামের চাহিদা ব্যাপক। সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের সময় তা ঠান্ডা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় এই গ্যাস। সরবরাহ বন্ধ হলে চিপ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যার জেরে ডেটা সেন্টার এবং এআই ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হবে।

শুধু তাই নয়, মহাকাশ গবেষণাতেও হিলিয়াম বিরাট ব্যবহার। রকেট উৎক্ষেপণ ও প্রবল চাপ সৃষ্টি করতে জ্বালানি হিসেবে হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও লিক শনাক্তকরণ, ফাইবার অপটিক্স এবং ওয়েল্ডিং-এর মতো শিল্পে এর গুরুত্ব রয়েছে। তথ্য বলছে, বর্তমানে হরমুজে যে অসংখ্য জাহাজ আটকে রয়েছে এর মধ্যে ২০০টির বেশিতে রয়েছে প্রয়োজনীয় এই হিলিয়াম। সরবরাহে ঘাটতির জেরে চাহিদা বাড়তে থাকায় হিলিয়ামের দাম ভয়ংকরভাবে বেড়েছে। ভারতও নিজের চাহিদার ১০০ শতাংশ হিলিয়াম বাইরে থেকে আনে। পরিস্থিতি যে পর্যায়ে যাচ্ছে আগামীদিনে এর গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে দেশে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.