গুলি

বাংলাদেশে খতম ২ মাদক কারবারী রোহিঙ্গা-সহ পাঁচ দুষ্কৃতী

মৃত দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে প্রচুর মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২০, ১৫:২২

options
link
বাংলাদেশে খতম ২ মাদক কারবারী রোহিঙ্গা-সহ পাঁচ দুষ্কৃতী
ছবি: প্রতীকী

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রাজধানী ঢাকা-সহ বাংলাদেশের চারটি জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে পাঁচজন দুষ্কৃতী। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সঙ্গে ‘গুলিযুদ্ধে’ মায়ানমারের দুজন রোহিঙ্গা নাগরিক এবং দুজন জলদস্যু নিকেশ হয়েছে। বুধবার ভোররাতে টেকনাফ উপজেলার খারাংখালী এলাকায় ও পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের লঞ্চঘাটের সামান্য দক্ষিণ দিকে সমুদ্র চ্যানেলের বেড়িবাঁধে এই গুলি লড়াই হয়। এই অভিযানে প্রচুর মাদক ও অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Advertisement

প্রথম ঘটনাটি ঘটে ঢাকার অদূরে গাজিপুর জেলার এরশাদনগর এলাকায়। সেখানে ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পুলিশের গুলির লড়াইয়ে কাওসার (২৫) নামে এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছে। এপ্রসঙ্গে গাজিপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) টঙ্গি পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, “গতরাতে এরশাদনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাওসারকে আটক করা হয়। কিন্তু, বিষয়টি টের পেয়ে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে কাওসার আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসারত থাকাকালীন বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন-কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে কী করছেন ফেলুদা? ]

Advertisement

গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার সময় টেকনাফের খারাংখালীর নাফ নদী সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল। এই সময় বিজিবির সদস্যরা সন্দেহজনক দুই ব্যক্তিকে দাঁড়াতে বললে তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পালটা গুলি চালায় বিজিবিও। পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই দুই মাদক কারবারির মৃতদেহ-সহ ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। খতম হওয়া ওই দুজন হল কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মহম্মদ তাহেরের ছেলে মহম্মদ ইলিয়াস (১৮) ও বালুখালি ক্যাম্পের মহম্মদ ইদ্রিসের ছেলে মহম্মদ ফারুক মিয়া।

[আরও পড়ুন-রোহিঙ্গা ত্রাণ তহবিল নয়ছয়ের অভিযোগ ওড়াল রাষ্ট্রসংঘ ]

কক্সবাজারের পেকুয়ার মগনামা ঘাট এলাকায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সঙ্গে উপকূলীয় জলদস্যুদের লড়াইয়ে দুজন দস্যু নিকেশ হয়েছে। বুধবার ভোর চারটের সময় র‌্যাবের একটি দল সাগরের চট্টগ্রাম-বাঁশখালী এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। এসময় মগনামা এলাকায় জলদস্যুরা র‌্যাবকে লক্ষ করে গুলি ছোঁড়ে। পালটা গুলি চালায় র‌্যাবও। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ২০ থেকে ২২ জন জলদস্যু সাগরে পালিয়ে যায়। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালানো হলে দুজনের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ এবং আটটি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.