দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববাসীর মন ভারাক্রান্ত করে তুলেছে বিশ্ববরেণ্য শিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যু সংবাদ। তাঁর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বাংলাদেশের শিল্পী রুনা লায়লা। কান্না ঝরা গলায় বলছেন, “মনে হচ্ছিল, কোনও আপনজনকে হারালাম। আল্লাহ-এ আমি কী শুনলাম!’
আরও পড়ুন:
রুনা লায়লার সঙ্গে আশা ভোঁসলের সম্পর্কটা অনেক পুরোনো। তবে শুরুর দিকে তা ছিল শুধু পেশাদার সৌজন্য। বাংলাদেশ, ভারত আর পাকিস্তানের প্রতিযোগীদের নিয়ে ২০১২ সালে দুবাইয়ে আয়োজন করা হয় রিয়েলিটি শো ‘সুরক্ষেত্র’। তার বিচারকের আসনে ছিলেন রুনা লায়লা, আশা ভোঁসলে ও আবিদা পারভীন। সেখানেই আশা ভোঁসলে ও রুনা লায়লার মধ্যে বন্ধুত্বের শুরু। এরপর তাঁদের মধ্যে নির্দিষ্ট সময় পরপর কথা হতো, দেখা-সাক্ষাৎও হতো। রুনা বলেন, ‘আমার সঙ্গে আশাজির কথা হয় বেশ কিছুদিন আগে। মাঝে বেশ কিছুদিন ভেবেছিলাম, ফোন করব। করব করব করে আর করা হয়নি। কথাও হল না। আজ মনে হচ্ছে, কেন করলাম না। করলে তো আরও কিছু গল্প হতো।”

রুনা লায়লা বলেন, “সুরক্ষেত্রের বিচারকাজের পর অনেক ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম। দারুণ বন্ধুত্ব হয়ে যায়। শুটিং সেটে আমরা কত আড্ডা দিয়েছি, হাসাহাসি করেছি। গল্প করতাম। কত রকমের যে কথাবার্তা বলতাম-সব মনে পড়ছে। এই অনুষ্ঠানের পর তিনি ফোন করতেন, আমি করতাম। আমার সুরে গান গাওয়ালাম। আমরা গেলাম, তিনি আমার যাওয়ার খবরে কাবাব বানিয়ে রেখেছিলেন। উনি খুব ভালো রান্না করতেন। তাঁর নামে তো অনেক রেস্টুরেন্টও ছিল। মৃত্যুর খবরে সব মনে পড়ছে। মনটা খুবই খারাপ।” তাঁর কথায়, “এ রকম প্রতিভা মনে হয় না আর জন্মাবে। শিল্পী ও মানুষ-দুইভাবে তাঁকে আমি পেয়েছি। এত অসাধারণ একজন মানুষ। আমাকে কেন জানি না, খুব মায়া করতেন। তিনি যাঁর সঙ্গে মিশতেন, মন খুলে মিশতেন। মুখে একটা মনে একটা এমনটা কখনই করতেন না। আমার সঙ্গে যে সম্পর্কটা ছিল, সেটাও অবিশ্বাস্য।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হাই কোর্টে ধাক্কা টুলুর! খারিজ রক্ষাকবচের আর্জি, ‘মেঘের আড়ালে সব দেখছেন’, বললেন বিচারপতি
-
তৃণমূল আমলে ঘরছাড়া! গলসির বিজেপি কর্মীর সঙ্গে দেখা করে বিধায়কের দাবি, ভয় আউট, ভরসা ইন
-
২১ আগস্ট বরলক্ষ্মী পুজো, অর্থকষ্ট দূর করতে জানুন ব্রত পালনের সঠিক নিয়ম
-
খেলার ইচ্ছাই হারিয়েছিলেন, বাবার মৃত্যুর পর প্রথম গোল করে আবেগে ভাসলেন মেসি
-
নিটে সফল মুর্শিদাবাদের বিড়ি মহল্লার ১৮ জন! অভাবের মাঝে ডাক্তারির স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথে