উপনির্বাচনের লড়াই নিজেদের প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর পর সাংবাদিক বৈঠকে প্রকাশ্যে নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন। শুক্রবার তিনি জানান, নন্দীগ্রামে লড়বেন না, উপনির্বাচনে তাঁর দল সমর্থন জানাচ্ছে কংগ্রেসকে। এর ঠিক ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গ্রেপ্তার হয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান! জানা যাচ্ছে, প্রায় দু’দশকের পুরনো মামলা অর্থাৎ নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের ঘটনায় তাঁর নাম জড়িয়েছিল। সেই মামলাতেই শুক্রবার সন্ধ্যায় মিলন প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হল।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় নাম জড়িয়েছিল তাঁর। নন্দীগ্রাম ও খেজুরিতে খুন ও অস্ত্র আইনে চারটি মামলা রয়েছে মিলনের নামে। প্রায় দু’দশকের পুরনো সেই মামলায় শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সমর্থনের কথা জানানোর পরই এই গ্রেপ্তারি কি নিছক কাকতালীয়? তা মনে করছেন না অনেকেই।
নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন নিয়ে শুক্রবার দিনভর টানটান নাটক! কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ঘনঘন পট পরিবর্তন। এদিন প্রথমে ঘাসফুল প্রতীক হাতছাড়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নতুন প্রতীক হিসেবে মমতাদের দেওয়া হয় ফুটবল খেলোয়াড়, ঋতব্রতরা পেলেন খাম প্রতীক। এরপরই দুপুরে নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। কথাবার্তা বলার পর হলদিয়া ফিরে মহকুমা শাসকে দপ্তরে গিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন সঞ্চিতা। বিকেলে কালীঘাটের বাড়ি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘আমরা নন্দীগ্রামে লড়ব না, ওখানে কংগ্রেসকে সমর্থন করছি। সিস্টার পার্টি হিসেবে। রাহুলজির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। আমরা একসঙ্গে লড়াই করে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।”
এরপর সন্ধ্যা নামতেই নন্দীগ্রামে পট পরিবর্তন। গ্রেপ্তার হয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় নাম জড়িয়েছিল তাঁর।নন্দীগ্রাম ও খেজুরিতে খুন ও অস্ত্র আইনে চারটি মামলা রয়েছে মিলনের নামে।প্রায় দু’দশকের পুরনো সেই মামলায় শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সমর্থনের কথা জানানোর পরই এই গ্রেপ্তারি কি নিছক কাকতালীয়? তা মনে করছেন না অনেকেই। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীর মতে, বিরোধীদের ভয় পেয়েই বিজেপির এহেন কার্যকলাপ। এনিয়ে রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডল পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।
नंदीग्राम उपचुनाव के लिए कांग्रेस उम्मीदवार मिलन प्रधान की गिरफ्तारी कोई संयोग नहीं, राजनीतिक प्रतिशोध है – लोकतंत्र की हत्या है।
BJP का निष्पक्ष चुनाव में भरोसा ही नहीं – इसलिए कभी वोट चोरी, कभी सरकार चोरी और कभी पार्टी चोरी से सत्ता बचाना चाहती है।
वो चुनाव नहीं लड़ना चाहते,…
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) September 18, 2026
তবে প্রশ্ন থাকছেই, মিলনকে পুলিশের জালে এনে কি আসলে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি কি কংগ্রেসও আর উপনির্বাচনে থাকছে না?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জিমন্যাস্টিক্সে ফাইনালে প্রণতি নায়েক, অব্যবস্থার শিকার, একার লড়াইয়েও চমক বঙ্গকন্যার
-
সাংসদ যেন কৃষক! নিজের বাড়িতে করম পুজোয় মাতলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো
-
‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?
-
চৈতন্য ও সুলক্ষণা, ২ হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই নাম? জানালেন নিজেই
-
এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষের জের! ১ মাস বন্ধ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল! বেরিয়ে গেলেন ছাত্ররা