Nandigram

মমতা সমর্থন জানানোর পরই গ্রেপ্তার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী, জয়ের রাস্তা চওড়া বিজেপির!

নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ২৩:১৪

options
link
মমতা সমর্থন জানানোর পরই গ্রেপ্তার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী, জয়ের রাস্তা চওড়া বিজেপির!
(বাঁদিকে) নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান, (ডানদিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

উপনির্বাচনের লড়াই নিজেদের প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর পর সাংবাদিক বৈঠকে প্রকাশ্যে নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন। শুক্রবার তিনি জানান, নন্দীগ্রামে লড়বেন না, উপনির্বাচনে তাঁর দল সমর্থন জানাচ্ছে কংগ্রেসকে। এর ঠিক ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গ্রেপ্তার হয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান! জানা যাচ্ছে, প্রায় দু’দশকের পুরনো মামলা অর্থাৎ নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের ঘটনায় তাঁর নাম জড়িয়েছিল। সেই  মামলাতেই শুক্রবার সন্ধ্যায় মিলন প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হল।  

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় নাম জড়িয়েছিল তাঁর। নন্দীগ্রাম ও খেজুরিতে খুন ও অস্ত্র আইনে চারটি মামলা রয়েছে মিলনের নামে। প্রায় দু’দশকের পুরনো সেই মামলায় শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সমর্থনের কথা জানানোর পরই এই গ্রেপ্তারি কি নিছক কাকতালীয়? তা মনে করছেন না অনেকেই।

নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন নিয়ে শুক্রবার দিনভর টানটান নাটক! কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ঘনঘন পট পরিবর্তন। এদিন প্রথমে ঘাসফুল প্রতীক হাতছাড়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নতুন প্রতীক হিসেবে মমতাদের দেওয়া হয় ফুটবল খেলোয়াড়, ঋতব্রতরা পেলেন খাম প্রতীক। এরপরই দুপুরে নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। কথাবার্তা বলার পর হলদিয়া ফিরে মহকুমা শাসকে দপ্তরে গিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন সঞ্চিতা। বিকেলে কালীঘাটের বাড়ি থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘আমরা নন্দীগ্রামে লড়ব না, ওখানে কংগ্রেসকে সমর্থন করছি। সিস্টার পার্টি হিসেবে। রাহুলজির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। আমরা একসঙ্গে লড়াই করে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।” 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর সন্ধ্যা নামতেই নন্দীগ্রামে পট পরিবর্তন। গ্রেপ্তার হয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় একটি খুনের মামলায় নাম জড়িয়েছিল তাঁর।নন্দীগ্রাম ও খেজুরিতে খুন ও অস্ত্র আইনে চারটি মামলা রয়েছে মিলনের নামে।প্রায় দু’দশকের পুরনো সেই মামলায় শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সমর্থনের কথা জানানোর পরই এই গ্রেপ্তারি কি নিছক কাকতালীয়? তা মনে করছেন না অনেকেই। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরীর মতে, বিরোধীদের ভয় পেয়েই বিজেপির এহেন কার্যকলাপ। এনিয়ে রাহুল গান্ধী এক্স হ্যান্ডল পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। 

Advertisement

তবে প্রশ্ন থাকছেই, মিলনকে পুলিশের জালে এনে কি আসলে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি কি কংগ্রেসও আর উপনির্বাচনে থাকছে না?     

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.