চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: লকডাউনে স্তব্ধ পরিবহন। বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন ঘরে ফেরার জন্য। অগত্যা সাইকেলকেই বেছে নিচ্ছেন তাঁরা। অধিকাংশই ভাঙাচোরা সবুজসাথী সাইকেলের ভরসাতে রওনা হচ্ছেন ঘরের উদ্দেশ্যে। এই সুযোগে চড়া দামে সাইকেল বিক্রি করছে একদল।
এদিন ২ নম্বর জাতীয় সড়কে নজর রাখতেই দেখা গেল ১০-১২ জনকে। সকলের পিঠে স্কুলের মতো ব্যাগ, পরণে নীল সাদা পোশাক। মাস্কে মুখ ঢেকে সাইকেলে কোথাও যাচ্ছেন। কিন্তু এখন তো স্কুল বন্ধ! তাহলে? আসলে এরাও পরিযায়ী শ্রমিক। বর্ধমানের কেতুগ্রাম থেকে রওনা দিয়েছেন বিহারের উদ্দেশ্যে। যত দ্রুত সম্ভব এখন বাড়ি পৌঁছনোই তাঁদের লক্ষ্য।

[আরও পড়ুন: ডায়েটের প্রতিরোধ ক্ষমতায় লুকিয়ে রহস্যের চাবিকাঠি, এ রাজ্যে CRPF-কে ছুঁতে পারল না করোনা]
পরিযায়ী শ্রমিক মহম্মদ সাবির আলম বলেন, “বিহার থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রামে এক কারখানায় কাজের জন্য এসেছিলেন এই রাজ্যে। লকডাউনের এর ফলে কারখানা বন্ধ। জমা পুঁজি যতটুকু ছিল সেই দিয়েই দিন কাটছিল। কারখানা বন্ধ হওয়ায় মালিক কর্তৃপক্ষ টাকা-পয়সা দিচ্ছে না। তাই বাড়ি ফেরার উপায় বলতে এই সাইকেল।” জানা গিয়েছে, স্রেফ নিরুপায় হয়ে ভাঙাচোরা সবুথ সাথীর সাইকেল চড়া দামে কিনতে হচ্ছে এই অসহায় মানুষগুলোক। কোনও উপায় তো নেই, ঘরে যে ফিরতেই হবে। প্রসঙ্গত, টানা লকডাউনে কর্মক্ষেত্রে আটকে পড়ার পর শ্রমিকই বাধ্য হয়ে সাইকেলে ঘরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। কারও সেই সামর্থ্যও হয়নি, অগত্যা পায়ে হেঁটেও রওনা দিয়েছেন বাড়ির দিকে।
[আরও পড়ুন: মহিষাদলে প্রথম করোনা আক্রান্তের হদিশ, কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু যুবকের]
সর্বশেষ খবর
-
মাতৃভাষায় শিক্ষাদান কোথায়? বন্ধ হস্টেল চালুর দাবিতে বাঁকুড়ায় বিক্ষোভ আদিবাসীদের, দাবি পৃথক সাঁওতালি বোর্ডের
-
কপালে তিলক, গলায় পবিত্র অঙ্গবস্ত্র, গণপতি আরাধনায় সর্বধর্ম সমন্বয়ের পাঠ ‘সেক্যুলার’ সলমনের
-
সংকটে পাশে নেই ‘প্রতারক পাকিস্তান’, হাউথির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইজরায়েলের দ্বারস্থ সৌদি!
-
২০২৯ লোকসভায় প্রায় দেড়গুণ হচ্ছে বুথসংখ্যা! ইভিএম কিনতে বিপুল খরচ কমিশনের
-
ড্রোনাথন ২০২৬: শত্রুর ঘুম ছুটিয়ে পোখরানে প্রথমবার স্বদেশী ড্রোনের ঝলক তুলে ধরল বায়ুসেনা