Asha Bhosle Passes Away

সুগায়িকা, সুনিপুণ রন্ধনশিল্পী আশা ছিলেন সফল বিনিয়োগকারীও! কত সম্পত্তি রেখে গেলেন?

প্লে-ব্যাক শিল্পী হিসাবে তাঁর গাওয়া গান যে সময় রমরমিয়ে চলছে, তাঁর অ্যালবামের গান যখন শ্রোতাদের মুখে মুখে, তখন থেকেই তিনি গানের পাশাপাশি মন দিয়েছিলেন ব্যবসায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৪:৪৮

options
link
সুগায়িকা, সুনিপুণ রন্ধনশিল্পী আশা ছিলেন সফল বিনিয়োগকারীও! কত সম্পত্তি রেখে গেলেন?
নিজের রেস্তরাঁয় আশা ভোঁসলে। ফাইল ছবি।

ভারতীয় সঙ্গীতজগতে ইন্দ্রপতন। প্রয়াত এভারগ্রিন সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle Passes Away)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। দীর্ঘ প্রায় আট দশকের কেরিয়ারে সঙ্গীতজগতে তাঁর সাফল্য এবং অর্জনের ইয়ত্তা নেই। অসংখ্য গান, অসংখ্য পুরস্কারে সমৃদ্ধ শিল্পী হিসাবে তাঁর কেরিয়ার। তবে শুধু সঙ্গীত শিল্পী নন, আশা ভোঁসলের সাফল্যের একাধিক নজির রয়েছে ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রেও। বলা ভালো, তিনি একজন সফল বিনিয়োগকারী, একজন সফল শিল্পোদ্যোগীও ছিলেন।

Advertisement

প্লে-ব্যাক শিল্পী হিসাবে তাঁর গাওয়া গান যে সময় রমরমিয়ে চলছে, তাঁর অ্যালবামের গান যখন শ্রোতাদের মুখে মুখে, তখন থেকেই তিনি গানের পাশাপাশি মন দিয়েছিলেন ব্যবসায়। সুগায়িকা হওয়ার পাশাপাশি আশার রন্ধনশিল্প নিয়েও বহু আলোচনা শোনা যায়। আসলে তিনি রান্না করতে পছন্দ করতেন। সেই পছন্দকেই তিনি ব্যবসার কাছে লাগান। ২০০২ সালে তিনি দুবাইয়ে একটি রেস্তরাঁর চেইন খোলেন। সেই রেস্তরাঁ চেইনের নাম তিনি দেন Asha’s। পরে সেই রেস্তরাঁ চেইনের আউটলেট ছড়িয়ে যায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কুয়েত, বাহরিনে তাঁর রেস্তরাঁর আউটলেট রয়েছে। ম্যাঞ্চেস্টার, বার্মিংহামের মতো শহরেও তাঁর রেস্তরাঁর আউটলেট রয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আশা ভোঁসলের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২০০-২৫০ কোটি। তাঁর রোজগারের অনেকটা যেমন আসত প্লে-ব্যাক, অ্যালবাম বা কনসার্ট থেকে, তেমনই আসত রেস্তরাঁ চেইন থেকেও। ওই রেস্তরাঁ চেইনের বাইরেও মুম্বই এবং পুণেতে একাধিক বাড়ি রয়েছে কিংবদন্তি শিল্পীর নামে। সেগুলির মোট মূল্যও ৮০ থেকে ১০০ কোটির আশেপাশে।

Advertisement

প্রায় আট দশকের দীর্ঘ কেরিয়ারে অজস্র পুরস্কার-সম্মান পেয়েছেন আশা। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন, ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৭ সালে তিনি পান নাইটিঙ্গেল অফ এশিয়া সম্মান। এছাড়া ফিল্ম ফেয়ার সম্মান, বঙ্গবিভূষণ, মহারাষ্ট্র সম্মানের মতো একাধিক সম্মানে পেয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.