নিট কেলেঙ্কারিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে জেন জির আন্দোলনের সময় তরুণ প্রজন্মকে ‘নদর্মার আবর্জনা’ কটাক্ষ কঙ্গনা রানাউতের। এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করেছে বিভিন্নমহল। আগ্রার বিশেষ এমপি/এমএলএ আদালতে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন রাজীব গান্ধী বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তথা আইনজীবী রমাকান্ত শর্মা। যদিও কঙ্গনার (Kangana Ranaut) সাফাই, তিনি জেন জিকে কটূক্তি করেননি। বলিউডের ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা রানাউতের এই যুক্তি মানতে নারাজ যোগগুরু রামদেব।
আরও পড়ুন:
কঙ্গনা তাঁর যোগব্যায়ামের ভক্ত হলেও, অন্যায় সমর্থন করবেন না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন যোগগুরু রামদেব (Baba Ramdev)। তাঁর মতে, এধরনের মন্তব্য ‘বিকৃত মানসিকতার’ পরিচায়। একইসঙ্গে গেরুয়া শিবিরের কাছে কঙ্গনার বক্তব্যকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আর্জি জানিয়েছেন। সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথনের সময় রামদেবের কাছে জেন জি সম্পর্কে কঙ্গনার মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়।

রামদেব অভিনেত্রী যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বর্তমানে কঙ্গনা মাণ্ডির সাংসাদ। সাংবাদিক সেকথা মনে করাতেই রামদেবের পালটা বাক্যবাণ,”আগে তাঁর কর্মকাণ্ড কেমন ছিল?” শৈশব, যৌবন এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এরপর রামদেবের সংযোজন, “আমি এমন মানুষদের নিয়ে কথা বলতে চাই না। দেশের যুবসমাজকে নর্দমার আবর্জনা বলাটা বিকৃত মানসিকতার লক্ষ্মণ।”

সাংবাদিক যখন তাঁকে বলেন, কঙ্গনা তাঁর যোগব্যায়ামের ভক্ত এবং নিজেকে সনাতনী বলে পরিচয় দেন। এই মর্মে রামদেবের কড়া জবাব, “কেউ যদি আমার যোগাসনের প্রশংসা করে, তাহলে তাঁর অন্যায় আমি আড়াল করব? যুবসমাজ কোনও একটি জাতি নয়, তাঁরাই দেশের সর্বস্ব। সেখানে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, দলিত, আদিবাসী, বনবাসী, এসসি, এসটি-সকল সম্প্রদায়ের সন্তান রয়েছে। প্রত্যেকে সন্তান। যুবসমাজ শক্তিশালী, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।”
প্রসঙ্গত, কঙ্গনা সম্প্রতি একটি ভিডিওবার্তায় বলেছেন, “ওখানে যে ভিড়টা হয়েছিল, আমি শুধুমাত্র সেই ভিড়ের কথাই বলেছিলাম। ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ছি, আমার এমন কোনও নির্দিষ্ট বক্তব্য দেখান যেখানে আমি গোটা প্রজন্মকে বোঝাতে চেয়েছি। আমার সঙ্গে অযথা রাজনৈতিক মতোবিরোধের জড়াবেন না। আমি কখনও যুবসমাজের বিরোধী নই। কারণ আমিও নিজে একজন তরুণ।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের