Saif Ali Khan

‘জেহকে একটু কেটেও ফেলেছিল’, ‘অভিশপ্ত রাত’-এর ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ভাগ সইফের

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভয়াবহ রাতের অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করলেন সইফ আলি খান। সেই সঙ্গে জানালেন হামলাকারীকে কখনও ক্ষমা করতে পারবেন কি না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৯:০৩

options
link
‘জেহকে একটু কেটেও ফেলেছিল’, ‘অভিশপ্ত রাত’-এর ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ভাগ সইফের
সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল?

২০২৫-এর ১৬ জানুয়ারি, পতৌদি নবাব সইফের জীবনের সেই ‘অভিশপ্ত রাত’। মধ্যরাতে আচমকা দুষ্কৃতি হামলা থেকে ছুরিকাঘাত। দুই সন্তানকে বাঁচাতে এক বাবার জীবন বাজি রাখার ঘটনা, যা সিনেমার স্ক্রিপ্টকেও হার মানাবে। বছর ঘুরলেও সেই রাতের আতঙ্ক যেন আজও তাড়া করে সইফকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভয়াবহ রাতের অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করলেন সইফ আলি খান। সেই সঙ্গে জানালেন হামলাকারীকে কখনও ক্ষমা করতে পারবেন কি না।

Advertisement

ব্যক্তিগতজীবন অন্তরালেই রাখতে পছন্দ করেন। ছুরিকাঘাত নিয়েও কখনও বিশেষ আলোচনা করতে দেখা যায়নি। তবে সম্প্রতি সে বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেতা। ওইরাতে কতটা ভয় পেয়েছিলেন? চোখের সামনে সন্তানের সামনে ছুরি ধরে রাখার সেই ভয়ানক দৃশ্য দেখে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল? নিজের মুখে জানিয়েছেন ছোটে নবাব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
তৈমুরকে নিয়ে সইফিনা

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাইফ বলেন, “আমরা প্রত্যেকে আলাদা ভাবে এই ঘটনাটার মোকাবিল করেছি। এই অভিজ্ঞতা সারা জীবনের সঞ্চয়। এক দুষ্কৃতী বাথরুমের জানালা দিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। জেহর ন্যানি এসে জানায়, ওর ঘরে একজন ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে টাকা চাইছে। ছেলের ঘরে গিয়ে দেখি জেহকে জাপটে ধরে রেখেছে। সামান্য কেটেও গিয়েছিল। ন্যানিকেও আঘাত করেছে। আমি যদি ঘরের আলো জ্বালিয়ে জিজ্ঞেস করতাম সে আদৌ জানে কিনা কোথায় এসেছে বা কী করছে তাহলে হয়তো পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু তখন আমার মাথায় অন্য কিছু কাজ করছিল। জেহকে বাঁচাতে আমি ঝাঁপিয়ে পড়ি হাতাহাতি শুরু হয়। এরপরই সে ছুরি নিয়ে এলোপাথাড়ি আক্রমণ করতে থাকে।”

Advertisement

সইফ আরও জানান, ছুরির আঘাতে এক সময় তাঁর মনে হয়েছিল তিনি হয়তো আর বাঁচবেন না। ভয়ংকর মুহূর্তের স্মৃতি হাতরে বলেন, “আমি তখন সাদা কুর্তা-পাজামা পরে ছিলাম। পুরো পোশাক রক্তে ভিজে গিয়েছিল। যখন মেঝেতে লুটিয়ে পড়েছিলাম তখন মনে হচ্ছিল আমার আয়ু শেষ। সেই মুহূর্তে আমার শুধু তৈমুরের সঙ্গে থাকতে ইচ্ছে করছিল। ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমার সঙ্গে হাসপাতালে যেতে ইচ্ছুক? ও আমাকে পালটা জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি কি মারা যাবে? আমি বলেছিলাম, না। তারপর আমরা একসঙ্গে হাসপাতালে যাই।”

জেহ-তৈমুরকে নিয়ে সইফ-করিনা

হামলাকারীকে ক্ষমা করার প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, “আমি সত্যিই ওকে ক্ষমা করতে চেয়েছিলাম। আমার মনে হয় ও একটা ভয়ঙ্কর ভুল করেছে। সম্ভবত ও মারামারি করতে আসেনি। আমি ওকে ক্ষমা করতে পারি কিন্তু যে মুহূর্তে সে আমাকে খুন করার চেষ্টা করেছিল সেই ভয়ংকর মুহূর্তটা এখনও ভুলতে পারিনি।”

পারিবারিক ছবি

ঘটনার তিন দিন পর মুম্বই পুলিশ থানে থেকে অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সি বাংলাদেশি নাগরিক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে সইফ অভিনীত ‘কর্তব্য’। পতৌদি নবাবের ঝুলিতে রয়েছে প্রিয়দর্শনের ‘হাইওয়ান’ এবং রাহুল ঢোলাকিয়ার ‘হাম হিন্দুস্তানি’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.