Debaditya Chaudhury

কলকাতার খাদ্যাভ্যাস বদলের ইতিবৃত্ত, দেবাদিত্য চৌধুরীর বই প্রকাশে পার্ক স্ট্রিটে চাঁদের হাট

কলকাতার খাদ্যসংস্কৃতির বদল নিয়ে দারুণ এক আলোচনা জমে ওঠে আড্ডায়। যদিও নেপথ্যের উপলক্ষ্য 'স্ট্রিক্টলি ডিলিশিয়াস'।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ১৫:১২

options
link
কলকাতার খাদ্যাভ্যাস বদলের ইতিবৃত্ত, দেবাদিত্য চৌধুরীর বই প্রকাশে পার্ক স্ট্রিটে চাঁদের হাট
বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানকে ঘিরে পার্কস্ট্রিটে চাঁদের হাট!

পার্ক স্ট্রিটের ঐতিহ্যবাহী ‘ট্রিনকাস’-এ মঙ্গলবার বিকেলে বসেছিল চাঁদের হাট। এক বিশেষ আড্ডার আসরে উঠে এল শহর কলকাতার প্রাচীন কেবিন কালচার ও আধুনিক ক্যাফে সংস্কৃতি নিয়ে নানা আলোচনা। কলকাতার খাদ্যসংস্কৃতির বদল নিয়ে দারুণ এক চর্চায় জমে ওঠে আড্ডা। যদিও নেপথ্যের উপলক্ষ্য ‘স্ট্রিক্টলি ডিলিশিয়াস’। সম্প্রতি এই বইটির বাংলা সংস্করণ প্রকাশিত হয়। বইটিকে ঘিরে আয়োজিত হয়েছিল এক বিশেষ অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট রেস্তরাঁ ব্যবসায়ী ও সঙ্গীতশিল্পী দেবাদিত্য চৌধুরী (Debaditya Chaudhury) এই বইটি লিখেছেন। বইটিতে বাংলার নানা ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকান এবং হারিয়ে যেতে বসা রেস্তরাঁর ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।

Advertisement

এদিনের আড্ডায় একছাদের তলায় হাজির হয়েছিলেন শহরের বিশিষ্ট গুণীজনেরা। উপস্থিত ছিলেন গীতিকার চন্দ্রিল ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায়। ছিলেন অভিনেতা ঋদ্ধি সেন ও অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্বয়ং দেবাদিত্য চৌধুরী। পুরাতন কেবিন কালচার ও নতুন যুগের ক্যাফের মধ্যকার সম্পর্কের রসায়ন ফুটে ওঠে মজলিসের প্রতিটি পর্বে। উঠে আসে স্মৃতিকথা, সময় পরিবর্তন ও শহরের রসনাতৃপ্তির গল্প।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Debaditya Chaudhury’s Strictly Delicious Bengali edition on Kolkata food culture
নিজস্ব ছবি

বহু বছর ধরে শহরের ছোট কেবিন বা আড়ালে থাকা খাবারের দোকানগুলি কলকাতার সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে আসছে। অথচ বর্তমানের ঝাঁ চকচকে রেস্তরাঁর ভিড়ে কি তারা আজ কিছুটা হলেও ম্লান নয়? এই প্রশ্নই উঠে এসেছিল আড্ডায়। বক্তারা মনে করেন, কলকাতার বুকে পুরনো ও নতুন দুই সংস্কৃতিই সমান্তরালভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। একদিকে ঐতিহ্যবাহী স্বাদ, অন্যদিকে আধুনিক উপস্থাপনা—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই শহরের খাদ্য মানচিত্র পূর্ণতা পেয়েছে।

Advertisement

বইটির লেখক দেবাদিত্য চৌধুরী জানান, তাঁর নিজের শৈশব এবং খাদ্যপ্রীতি গড়ে উঠেছে এই শহরের অলিগলির ছোট দোকানগুলির হাত ধরে। সেই অনুপ্রেরণাতেই পরবর্তীতে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন খাবারের ঠিকানা। শহরের এই অনন্য ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নথিভুক্ত করে রাখাই মূল উদ্দেশ্য ছিল লেখকের। বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি আয়োজিত হয়। শহরের সমৃদ্ধ খাদ্য ঐতিহ্যকে নতুন করে উদযাপনের বার্তা দিল এই বিশেষ বই-প্রকাশ সন্ধ্যা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.