Arvind Kejriwal

দীর্ঘ বিতর্ক পেরিয়ে অবশেষে গতি হল শিশমহলের! গেস্ট হাউস হচ্ছে একদা কেজরির বাংলো

Sheesh Mahal: ইতিমধ্যেই সেখানে প্রয়োজনীয় পার্কিং সুবিধা, একটি ওয়েটিং হল এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তৈরির কথা বলা হয়েছে। নয়া প্রস্তাবটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৪:৪২

options
link
দীর্ঘ বিতর্ক পেরিয়ে অবশেষে গতি হল শিশমহলের! গেস্ট হাউস হচ্ছে একদা কেজরির বাংলো
গেস্ট হাউসে পরিণত হচ্ছে একদা কেজরির বাংলো শিশমহল।

দিল্লির রাজনৈতিক পালাবদলের অন্যতম কাণ্ডারি ‘বিলাসবহুল’ শিশমহল এবার পরিণত হতে চলেছে সরকারি গেস্ট হাউসে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকাকালীন এই সরকারি বাংলোই ছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবন। সরকারি সূত্রের খবর, ওই ভবনে সামান্য কিছু পরিবর্তন এনে সেটিকে রাজ্য অতিথি নিবাসে রূপান্তরিত করা হবে।

Advertisement

গত বছর দিল্লিতে কেজরিওয়াল সরকারের পতনের পর থেকে খালিই পড়ে ছিল শিশমহল (Sheesh Mahal)। মাঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) ‘রাজপ্রাসাদ’ সাধারণ নাগরিকদের সামনে খুলে দেওয়া হবে। অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত বদলে সরকারের পরিকল্পনা ওই ভবন সরকারি গেস্ট হাউস হিসেবে ব্যবহৃত হোক। ইতিমধ্যেই সেখানে প্রয়োজনীয় পার্কিং সুবিধা, একটি ওয়েটিং হল এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তৈরির কথা বলা হয়েছে। নয়া প্রস্তাবটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আধিকারিকদের তরফে জানা যাচ্ছে, নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে সফররত মন্ত্রী ও সরকারি আধিকারিকদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে কেউ সেখানে না থাকলেও ১০ জন কর্মী ওই বাংলোর রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিযুক্ত।

Advertisement

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকাকালীন এই সরকারি বাংলোই ছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবন। সরকারি সূত্রের খবর, ওই ভবনে সামান্য কিছু পরিবর্তন এনে সেটিকে রাজ্য অতিথি নিবাসে রূপান্তরিত করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে দিল্লির ৬, ফ্ল্যাগশিপ রোডের বাংলোর অধিবাসী হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আবগারি মামলার জেরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ২০২৪ সালের অক্টোবরে বাংলো খালি করেন তিনি। এই বাংলো ঘিরেই একধিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ। বিজেপির দাবি, আট একর জমিতে বিস্তৃত বাংলোটির সংস্কারের সময় জমি অধিগ্রহণে আইনকে বুড়ো আঙুল দেখানো হয়েছে। ক্ষমতা বলে সরকারি জমি দখল করেন কেজরি। এই মর্মে লেফ্‌টেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনাকে চিঠি লিখে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা বীরেন্দ্র সচদেবা।

Advertisement

কেবল অবৈধ জমি অধিগ্রহণ নয়, পূর্ত দপ্তরের একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, একাধিক বিলাসবহুল আসবাব, যন্ত্র, গেজেট রয়েছে শিশমহলের ভিতরে। সব মিলিয়ে সরকারি পয়সায় বিলাস ও ফুর্তির জীবনযাপনের অভিযোগ ওঠে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। এমনকী ভোটের মুখে এই নিয়ে সরব হন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “আমিও শিশমহল তৈরি করতে পারতাম। কিন্তু আমি দেশের গরিব মানুষদের জন্য চার কোটির বেশি বাড়ি বানিয়েছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.