লোকসভা

লোকসভার কনিষ্ঠতম সাংসদ নির্বাচিত হলেন ওড়িশার চন্দ্রাণী

নিজের এলাকায় শিল্প ও কর্মসংস্থান গড়ে তোলাই লক্ষ্য তরুণীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৯, ২০:০৩

options
link
লোকসভার কনিষ্ঠতম সাংসদ নির্বাচিত হলেন ওড়িশার চন্দ্রাণী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র ২৫ বছর ১১ মাস ন’দিন বয়সে দেশের সাংসদ নির্বাচিত হলেন ওড়িশার চন্দ্রাণী মুর্মু। আদিবাসী অধ্যুষিত কেওনঝড় লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজু জনতা দল(বিজেডি)-র টিকিটে জিতেছেন তিনি। হয়েছেন দেশের সর্বকনিষ্ঠ সাংসদ। ভোটের আগে নজরকাড়া প্রার্থীদের তালিকায় না থেকেও ফলাফল প্রকাশের পর নজর কেড়েছেন গোটা দেশের। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর অন্যদের মতো চাকরি খুঁজছিলেন চন্দ্রাণী। আচমকা একদিন বিজু জনতা দলের পক্ষ থেকে তাঁকে কেওনঝড় লোকসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাতে সম্মতি দেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন- দেশ ছেড়ে ‘পালানোর চেষ্টা’, বিমানবন্দরে সস্ত্রীক আটক জেট এয়ারওয়েজের কর্ণধার  ]

গত ২৩ মে ফলপ্রকাশের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেওনঝড় এলাকায় কর্মসংস্থান গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন বলে জানান বিজেডির এই সাংসদ। এই এলাকায় শিল্প তৈরির চেষ্টা করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন। বলেন, “এটা খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয় যে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ কেওনঝড়ের মতো জেলায় বেকারত্ব খুবই বড় একটা সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এই সমস্যার সমাধান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি এই রাজ্যের মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁদের সমস্যার কথা সংসদে তুলে ধরব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন- এবার লোকসভায় নবনির্বাচিত ২৩৩ জন সাংসদ ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত]

বিজু জনতা দলের টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়ে কেওনঝড়ের দু’বারের বিজেপি সাংসদ অনন্ত নায়েককে ৬৬,২০৩টি ভোটে পরাজিত করেন তিনি। ১৯৫২ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত এখান থেকে মোট আটবার বিজেডি, ছ’বার কংগ্রেস ও তিনবার বিজেপি জয়লাভ করে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে ও ২০১৯ সালে পরপর দু’বার জেতে বিজেডি।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.