সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন

মধ্যপ্রদেশে উলটপুরাণ! CAA ও NRC’র পক্ষে সওয়াল কংগ্রেস বিধায়কের

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকেও সমর্থন জানিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২০, ১৭:৪৫

options
link
মধ্যপ্রদেশে উলটপুরাণ! CAA ও NRC’র পক্ষে সওয়াল কংগ্রেস বিধায়কের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদের দুই কক্ষের পাশাপাশি প্রকাশ্যেও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস। সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করার পাশাপাশি দেশব্যাপী আন্দোলনও শুরু করেছে। ঠিক সেই সময় দলীয় মতাদর্শের বাইরে গিয়ে উলটে পথে হাঁটলেন কংগ্রেসের এক নেতা। মধ্যপ্রদেশের মন্দাসৌর জেলার সুবাসরা বিধানসভার ওই বিধায়কের নাম হরদীপ সিং ডাং।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকে যদি আলাদা করে দেখা হয়। তাহলে এগুলো নিয়ে আপত্তির কিছু নেই। আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে আসা আমাদের ভাইদের এখানে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়েও কোনও আপত্তি হওয়ার কথা নয়। এখান তাঁদের সবরকম সহযোগিতা করা হবে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার লোভে বিজেপিকেও ধ্বংস করছে হিমন্ত’, বিস্ফোরক বদরুদ্দিন আজমল ]

 

Advertisement

CAA নিয়ে তাঁর কোনও আপত্তি না থাকলেও বহুদিন ধরে ভারতে বসবাসকারী মানুষদের কাছ থেকে এনআরসির কাগজ চাওয়ার পদ্ধতি নিয়ে তাঁর আপত্তি আছে বলে উল্লেখ করেন। বলেন, ‘বহু বছর ধরে যারা ভারতে বসবাস করছেন বা এখানে বড় হয়েছেন। তাদের কাছ থেকে এতদিন বাদে এনআরসির কাগজ চাওয়ার কোনও যুক্তি নেই।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে কেন্দ্র। কংগ্রেস দলীয়ভাবে এর প্রতিবাদ করলেও অনেক কংগ্রেস নেতা এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানান। তার মধ্যে হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা ও মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পাশাপাশি হরদীপ সিং ডাং ছিলেন।

[আরও পড়ুন: CAA বিরোধী আন্দোলনে কংগ্রেসের প্রশংসা, বিজেপিকে টুইট খোঁচা পিকের ]

 

CAA পাশ হওয়ার পর থেকেই অসম ও উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভ শুরু হয়। সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি এর প্রতিবাদে বিক্ষোভে নামেন পড়ুয়ারাও। কোথাও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ তো কোথাও তাণ্ডব করতে দেখা যায় মানুষকে। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে হওয়া সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনের মৃত্যুও হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন