দুমকায় মাওবাদীদের ডেরায় অভিযান যৌথ বাহিনীর, শহিদ এক জওয়ান

জঙ্গলে ১৫ থেকে ২০ জন মাওবাদী লুকিয়ে রয়েছে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৯, ১২:১৫

options
link
দুমকায় মাওবাদীদের ডেরায় অভিযান যৌথ বাহিনীর, শহিদ এক জওয়ান
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের দুমকায় মাওবাদী খতম করতে গিয়ে শহিদ হলেন এক জওয়ান। আহত হয়ছেন আরও চারজন। দুমকার পুলিশ সুপার আয়াই এস রমেজ জানিয়েছেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে চার থেকে পাঁচজন মাওবাদী আহত হয়ছে। তবে কাউকে খতম করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, রণেশ্বূর থানা এলাকার শিকারিপাড়া জঙ্গলে ১৫ থেকে ২০ জন মাওবাদী লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পেয়েছিলেন তাঁরা। খবর পাওয়া মাত্রই এসএসবি ও ঝাড়খণ্ড পুলিশ একত্রে এলাকায় অভিযান চালাবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। যখন এই যৌথ বাহিনী জঙ্গলে ঢোকে, তাদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। তখনই মাওবাদীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন একজন জওয়ান। আহত ওই জওয়ানের নাম নীরজ ছত্রী। গুলি লাগার পর তাঁকে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে আসা হয় রাঁচিতে। চিকিৎসা চলাকালীনই তাঁর মৃত্যু হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক হিন্দি! কেন্দ্রের শিক্ষানীতির খসড়া নিয়ে বিতর্ক ]

Advertisement

কিছুদিন আগে ঝাড়খণ্ডের সারাইকেলা-খারসোয়া জেলার রায়সিন্ধ্রি পাহাড়ে জমায়েত হয়েছিল মাওবাদী স্কোয়াডের কয়েকজন সদস্য। কোবরা বাহিনী, ঝাড়খণ্ড জাগুয়ারের জওয়ান ও পুলিশকর্মীরা ভোরের দিকে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালীন পরপর বেশ কয়েকটি আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা। বিস্ফোরণে আহত হন নিরাপত্তাবাহিনীর ১১ জন জওয়ান। আহতদের মধ্যে ৮ জন কোবরা বাহিনীর ও ২ জন ঝাড়খণ্ড জাগুয়ারের জওয়ান। আর একজন পুলিশকর্মী।

এই ঘটনার পর বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানায় মাওবাদী দমনে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য। শনিবার দুপুরে পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে বান্দোয়ান থানায় বৈঠক করে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। সেই বৈঠকে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানায় মাওবাদী গতিবিধি-সহ অপারেশনের নকশা সাজানো হয়। ওই বৈঠকে ছিল ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া দুই থানা বরাবাজার ও বান্দোয়ান থানার পুলিশ আধিকারিক। সেই সঙ্গে এই জেলায় থাকা সিআরপিএফ-এর তিনটি ক্যাম্প বান্দোয়ানের গুড়পানা, কুঁচিয়া ও বরাবাজারের বেড়াদার অফিসাররা। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, অতীতে যে এলাকায় অভিযান হয়নি এবার সেই সব দুর্গম এলাকাতেও যৌথ বাহিনীর অপারেশন চালানো হবে। সেই সঙ্গে আবার নতুন করে জনসংযোগের কাজেও এই যৌথ বাহিনী জোর দেবে বলে ওই বৈঠকেই তা চূড়ান্ত হয়।

[ আরও পড়ুন: শৌচালয়ের জলে তৈরি হচ্ছে ইডলি! ভাইরাল ভিডিওয় ফাঁস বিক্রেতার কুকীর্তি ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন