Suvendu Adhikari-Samik Bhattacharya

সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু

বিধানসভা ভোটের পর নতুন সরকার ও দলের সংগঠনকে একই ছন্দে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কৌশল নিয়ে সংঘের শীর্ষ নেতৃত্বের মতামত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ২৩:২২

options
link
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
শমীক ভট্টাচার্য ও শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি

বাংলায় সরকার বদলের পর এই প্রথম সংঘের সঙ্গে রাজ্য বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় বৈঠক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় দিল্লির অশোক রোডে মুখোমুখি বসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠন সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সহ কার্যবাহ অরুণ কুমার। সংঘ ও বিজেপির মধ্যে সমন্বয়ের অন্যতম প্রধান সংযোগকারী অরুণের উপস্থিতিতে বাংলার নতুন সরকারের সঙ্গে সংগঠনের তালমিল নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

Advertisement

বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর এই বৈঠকের তাৎপর্য তাই নিছক সাংগঠনিক বৈঠকের গণ্ডিতে আটকে থাকছে না। নতুন সরকারের সঙ্গে দলের সম্পর্ক, সংগঠনের বিস্তার, সরকারের কাজের সঙ্গে নিচুতলার কর্মীদের সমন্বয় এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি – একাধিক বিষয়ে রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে সরাসরি খোঁজ নিতে পারে সংঘের শীর্ষ নেতৃত্ব। সাম্প্রতিক সময়ে উত্তরপ্রদেশেও সংঘ-বিজেপি সমন্বয় বৈঠকে সংগঠন ও সরকারের কাজের বিষয়ে মাঠপর্যায়ের মতামত নেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শমীক ও শুভেন্দুর একই বৈঠকে উপস্থিতিও তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্য সভাপতি হিসাবে শমীকের সামনে সংগঠনকে নতুন করে সাজানোর দায়িত্ব। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সামনে সরকার পরিচালনার পাশাপাশি দলীয় সংগঠনের সঙ্গে প্রশাসনের সমন্বয় বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ। সুকান্তের উপস্থিতিতে কেন্দ্র-রাজ্য এবং সংগঠনের ত্রিমুখী সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে। বৈঠক শেষে শুভেন্দুর বিশেষ বিমানে শমীকও কলকাতায় ফিরবেন বলে বিজেপি সূত্রের খবর। ফলে দিল্লির এই বৈঠক থেকে বাংলার সরকার ও সংগঠনের আগামী দিনের পথচলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত মিলতে পারে। ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসন ও সংগঠনের মধ্যে সমন্বয়, সরকারের কর্মসূচি দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, দলের সাংগঠনিক বিস্তার এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি – একাধিক বিষয় বৈঠকের আলোচনায় উঠে আসতে পারে। বিশেষ করে বিধানসভা ভোটের পর নতুন সরকার ও দলের সংগঠনকে একই ছন্দে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কৌশল নিয়ে সংঘের শীর্ষ নেতৃত্বের মতামত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.