সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনের মধ্য একাধিকবার টেলিকম সংস্থাগুলির কাছ থেকে ফোন বা এসএমএস পেতে পেতে আপনি কি বিরক্ত? প্রতিটি ফোন, মেসেজে টেলিকম সংস্থাগুলি কি আপনাকে ভয় দেখাচ্ছে, এখনই আধার ও ফোন নম্বর না জুড়লে আপনার কানেকশন বন্ধ হয়ে যাবে? তাহলে জেনে রাখুন, আপনি একা নন! এই সমস্যায় ভুগছেন দেশের বহু ইউজারই। তাঁদের অভিযোগ, টেলিকম অপারেটররা আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে গ্রাহকদের ফোন বা এসএমএস করে সিম কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বরের সংযুক্তিকরণের বিষয়ে সতর্ক করছে। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে গ্রাহকদের বারবার বিরক্ত করা হচ্ছে। ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ অপশনও এক্ষেত্রে কাজ করছে না, অভিযোগ তাঁদের।
[দিওয়ালিতে ব্যাপক ছাড় মোবাইলে, কোনটা ছেড়ে কোনটা কিনবেন?]
এয়ারটেল, ভোডাফোন বা আইডিয়া- প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই দেশের প্রায় কোনও টেলিকম সংস্থাই। ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকম বা ডট-এর একটি নির্দেশকে মান্যতা দিতে গিয়ে গ্রাহকদের বারবার ফোন ও এসএমএস করছে টেলিকম সংস্থাগুলি। ডট-এর নির্দেশ, ২০১৮-র ফেব্রুয়ারির মধ্যে গ্রাহকদের ফোন নম্বরের সঙ্গে আধার নম্বরকে যুক্ত করতে হবে। কিন্তু যে বিষয়টি অনেকেরই নজর এড়াছে না, সেটি হল আদালতেরই আর একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ। যেখানে বলা হয়েছে, আধার নম্বরের সংযুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক নাও হতে পারে। পাশাপাশি, যেভাবে টেলিকম সংস্থাগুলি আধার যোগের জন্য আগ্রাসী আচরণ করছে, তারও সমালোচনা করছেন কেউ কেউ। পালটা এয়ারটেলের মতো টেলিকম সংস্থাগুলির দাবি, কেন্দ্রের নির্দেশ মতো গোটা প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতেই সংস্থার কর্মীরা দিনরাত এক করে আধার-মোবাইল নম্বর যুক্ত করার কাজ চালাচ্ছেন। এতে তাঁদের কোনও বাণিজ্যিক মুনাফা নেই।
[দিওয়ালি বাম্পার অফার Jio-র, ৩৯৯ টাকার রিচার্জে মিলবে ১০০ শতাংশ ক্যাশব্যাক]
আবার গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনও কোনও গ্রাহককে এসএমএস করে বলা হচ্ছে, আধারের সঙ্গে সিম সংযুক্তিকরণ না করলে ‘অবিলম্বে’ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে। ডট-এর নির্দেশ মোতাবেক, আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফোন-আধার নম্বর ‘লিঙ্ক’ করা যাবে। তাহলে এত তাড়াহুড়ো কেন? দিল্লির এক বাসিন্দার অভিযোগ, ‘এটা কি বৈধ? আমাকে বলা হচ্ছে সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে সিম-আধার লিঙ্ক করাতে হবে। কিন্তু এয়ারটেলের সার্ভিস সেন্টারের বায়োমেট্রিক মেশিনে গোলযোগের কারণে আমাকে একবার ফিরে আসতে হয়।’ বস্তুত, আধারের সঙ্গে ফোন নম্বর লিঙ্কের হ্যাপা পোয়াতে হচ্ছে গ্রাহকদেরই। বহু ক্ষেত্রেই সংস্থাগুলির বায়োমেট্রিক মেশিন ঠিকমতো কাজ করছে না বলে অভিযোগ। কারও আঙুলের ছাপ মিলছে না। ৯০ বছরের এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর অভিযোগ, ‘আমার ফিঙ্গারপ্রিন্টস ঝাপসা হয়ে আসছে। কিন্তু ওরা আমাকে সেই একই পদ্ধতি বারবার চেষ্টা করে দেখতে বলছেন।’ একই সমস্যায় পড়েছেন শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধীরাও। এই বিষয়ে টেলিকম অপারেটরদের সঙ্গে একপ্রস্ত বৈঠকে বসেছেন UIDAI কর্তারা। টেলিকম সচিব অরুণা সুন্দরারাজনের আশ্বাস, গ্রাহকদের সঙ্গে টেলিকম সংস্থাগুলির সমন্বয়ের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
[OMG! এক বোতল জলের দাম ৬৫ লক্ষ টাকা, কিন্তু কেন?]
সর্বশেষ খবর
-
রবিবাসরীয় সকালে সোহিনীর কোলে ফুটফুটে সন্তান, ঘরে এল পুত্র না কন্যা?
-
দাঁত দিয়ে যায় চেনা, বয়স ‘চুরি’ রুখতে নয়া পদ্ধতির শরণাপন্ন হতে পারে বোর্ড
-
পরপর ৩ দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট! মাসের শেষে সম্পূর্ণ বন্ধ হতে পারে পরিষেবা, জরুরি বৈঠক অর্থমন্ত্রকের
-
এক বছরে তিন ‘আত্মহত্যা’, তবু শাস্তি হয়নি! আইআইটি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এফআইআর পুত্রহারা মায়ের
-
‘আলোয় আলো আকাশ’, ছায়াপথ-বায়ুমণ্ডল ফুঁড়ে মায়াবী আলোয় উদয় শুক্রের! ভাইরাল অপূর্ব ছবি