Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bombay IIT

এক বছরে তিন ‘আত্মহত্যা’, তবু শাস্তি হয়নি! আইআইটি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এফআইআর পুত্রহারা মায়ের

আইআইটির এক পড়ুয়া পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিয়ে ধরা পড়েছিলেন। তারপরেই আত্মঘাতী হন। পরিবারের অভিযোগ, তিনমাস ধরে জাতিবিদ্বেষী কটাক্ষের শিকার হয়েছেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ১২:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ১২:৫৩

options
link
এক বছরে তিন ‘আত্মহত্যা’, তবু শাস্তি হয়নি! আইআইটি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এফআইআর পুত্রহারা মায়ের zoom
ছেলের মৃত্যুর পরে থানায় এফআইআর দায়ের করেন সাহিলের বাবা-মা।
Advertisement

একবছরে একই প্রতিষ্ঠানে আত্মঘাতী তিনজন পড়ুয়া। তবু কারোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হয়নি। বম্বে আইআইটিতে সাম্প্রতিক ঘটনায় উঠে আসছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। শনিবার জানা যায়, সাহিল ওয়াকোড়ে নামে বম্বে আইআইটির এক পড়ুয়া পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিয়ে ধরা পড়েছিলেন। তারপরেই আত্মঘাতী হন সাহিল। এবার এই ঘটনায় বম্বে আইআইটির এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর।

সাহিলের পরিবার এবং বন্ধুদের কথায়, দুপুর দু’টো থেকে চারটে পর্যন্ত পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা চলাকালীন তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করেন পরীক্ষক। দেখা যায়, সেই পড়ুয়া উত্তর জানতে প্রশ্নপত্রটিই চ্যাটজিপিটিতে আপলোড করে দিয়েছিলেন। ছেলেটির সঙ্গে কথা বলেন পরীক্ষক ও বিভাগীয় প্রধান। এরপর ওই পড়ুয়া নিজের হস্টেলের ঘরে ফিরে যান। সন্ধের দিকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পড়ুয়ার মৃত্যুর খবর প্রকাশ পেতেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা। তাঁরা জানান, সাহিলকে একবছরের জন্য সাসপেন্ড করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেই তিনি চরম পদক্ষেপ করেছেন। এমনকি জাতিবিদ্বেষী মন্তব্যও করা হয়েছে সাহিলের প্রতি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ছেলের মৃত্যুর পরে থানায় এফআইআর দায়ের করেন সাহিলের বাবা-মা। অভিযোগের কেন্দ্রে পরীক্ষক সূর্যনারায়ণ দুল্লা। তাঁর বিরুদ্ধেই জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। কেবল পরীক্ষার দিন নয়, গত তিনমাস ধরে মানসিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন ওই অধ্যাপক। যদিও বম্বে আইআইটি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ পাননি। মৃত্যুর দু’দিন আগেও সাহিলের আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখেননি বলেই জানাচ্ছেন তাঁর বাবা-মা। তাঁদের অভিযোগ, বম্বে আইআইটির অধ্যাপক আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন।

মর্গ থেকে সাহিলের মৃতদেহ নিতেও রাজি হননি তাঁর পরিবার। পুত্রহারা মায়ের অঙ্গীকার, ছেলের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তিনি শেষকৃত্য করবেন না। সাহিলের বাবা বলছেন, এবছর বম্বে আইআইটিতে তিনজন পড়ুয়া আত্মঘাতী হয়েছেন কিন্তু কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেকারণেই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে পরিবার, যেন আর কোনও পড়ুয়া চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য না হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.