Adult Toys

‘অশ্লীল’ বলে নিষিদ্ধ সেক্স টয় আমদানি? হাই কোর্টে প্রশ্নের মুখে শুল্ক বিভাগ

হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, কর্তৃপক্ষ ব্যক্তিনির্ভর নৈতিকতার ভিত্তিতে সেক্স টয়কে 'নিষিদ্ধ' বললে এবং তাতে ব্যবসায়িক স্বার্থ ব্যাহত হলে হস্তক্ষেপ করবেই আদালত।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১৬:৪৫

options
link
‘অশ্লীল’ বলে নিষিদ্ধ সেক্স টয় আমদানি? হাই কোর্টে প্রশ্নের মুখে শুল্ক বিভাগ
প্রতিদিন গ্রাফিক্স

ভারতীয় কাস্টমস আইনে সেক্স টয় আমদানি নিষিদ্ধ। সত্যিই কি তা শুল্ক বিভাগের এক্তিয়ারভুক্ত? একটি মামলা প্রসঙ্গে এমনই প্রশ্ন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি স্মিতা দাস দে’র সিঙ্গল বেঞ্চের। কাস্টমসের তরফে অবশ্য মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আগামী ৯ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement

১৯৬৪ সালে শুল্ক বিভাগ একটি বিজ্ঞপ্তিতে অশ্লীল বই, ছবি কিংবা সেক্স টয়ের কোনও সামগ্রীকে ‘অশ্লীল’ বলে উল্লেখ করা হয়। মামলাকারী সংস্থার দাবি, ‘বডি ম্যাসাজার’ কিংবা ‘সেক্স টয়’কে কোনওভাবেই নিষিদ্ধ পণ্য বলা যায় না। মামলাকারীর যুক্তি, ১৯৬২ সালে এই ধরনের পণ্যকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞার কোনও নির্দিষ্ট বিধান নেই। এই ধরনের পণ্য দেশের বাজার এবং অনলাইন বিপণন সংস্থায় সহজলভ্য। সেক্ষেত্রে আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলে ব্যবসায় প্রভাব পড়বে। আর কারও ব্যবসার অধিকারে হস্তক্ষেপ করা যায় না বলেই দাবি মামলাকারীর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও কাস্টমসের তরফে মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের পাল্টা যুক্তি, কাস্টমস আইনের ১২৮ নম্বর ধারায় নির্ধারিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মামলাকারীকে আবেদন করতে হত। তবে এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। সুতরাং মামলাটির কোনও গ্রহণযোগ্যতাই নেই। দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, মামলায় তথ্যগত বিরোধিতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন উঠেছে। কোনও কর্তৃপক্ষ যদি শুধুমাত্র ব্যক্তিনির্ভর নৈতিকতার ভিত্তিতে সেক্স টয়কে ‘নিষিদ্ধ’ বলে দাবি করে। এবং তার ফলে যদি কোনও নাগরিকের ব্যবসায়িক অধিকার লঙ্ঘিত হয়, তবে হাই কোর্টকে সেখানে হস্তক্ষেপ করতেই হবে। কোন আইনি বিধানে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেই মত হাই কোর্টের। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে কাস্টমসের বক্তব্য হলফনামা আকারে আদালতে জমা দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। তারপর সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে হবে মামলাকারীকে। ৯ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.