ডোকালাম যুদ্ধ

শিলিগুড়ি করিডরের দিকে লালফৌজকে রুখতে তৈরি, প্রত্যয়ী ইস্টার্ন কম্যান্ডের বিদায়ী সেনাকর্তা

তিনি বলেন, ১৯৬২ সালের যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারতীয় সেনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০১৯, ১৭:২৪

options
link
শিলিগুড়ি করিডরের দিকে লালফৌজকে রুখতে তৈরি, প্রত্যয়ী ইস্টার্ন কম্যান্ডের বিদায়ী সেনাকর্তা

অর্ণব আইচ: ডোকলাম হয়ে শিলিগুড়ি করিডরের দিকে যাতে চিনের সেনারা কোনওভাবেই না আসতে পারে, তার জন্য তৈরি রয়েছে ভারতীয় সেনারা। মঙ্গলবার ভারত চেম্বার অফ কমার্সে একটি নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনাসভায় ইস্টার্ন কম্যান্ডের বিদায়ী জিওসি-ইন-সি লেফটেন্যান্ট জেনারেল এম এম নারাভান এই কথা জানান।

Advertisement

তিনি বলেন, চিন যদি ১৯৬২ সালের ইতিহাস মনে করাতে চায়, তবে আমরাও তা ফেরত দেব। ভারত ও চিনের যুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনাদের দিক থেকে কোনও ভুল হয়নি। ভুল হয়েছিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই। তবে এর পর ধীরে ধীরে সেনা শিক্ষা নিয়েছে। এখন সেনা যে কোনও অবস্থার জন্য প্রস্তুত। ডোকলাম থেকে যখন চিনের সেনারা দক্ষিণের দিকে আসার চেষ্টা করে, তখনই তাদের আটকানো হয়। এখনও ডোকলামে প্রস্তুত রয়েছে ভারতীয় সেনা। যদি চিনের দিকে দু’টি নতুন বারাক তৈরি হয়, তবে ভারতের দিক থেকেও নতুন বারাক তৈরি হচ্ছে। ডোকলামের গ্রে জোনে দাপাচ্ছে সেনারা। এই প্রসঙ্গে সেনাকর্তা ‘গগণশক্তি’র মহড়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। এই মহড়ায় সেনাবাহিনী ও ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধের মহড়া দেয়। এদিন এই আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তা এয়ার চিফ মার্শাল অরূপ রাহা ও বিসিসি-র সভাপতি সীতারাম শর্মা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: ‘জেলে গেলে ভাবব স্বাধীনতার জন্য লড়ছি’, বিজেপিকে তোপ মমতার ]

চিনের একটি ম্যাগাজিনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০৩৫ সালে চিন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে পারে। এই বিষয়ে সেনাকর্তা জানান, হয়তো সরাসরি সংঘাতে চিন না-ও যেতে পারে। তার বদলে ছায়াযুদ্ধের উসকানি দিতে পারে চিন। সাইবার কমান্ড, স্পেস কমান্ডের দিক থেকেও ভারতীয় সেনা তৈরি হচ্ছে। এদিন এই আলোচনা সভায় অরূপ রাহা জানান, কলকাতা, হাওড়া-সহ এই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ডিফেন্স প্রোডাকশন করিডরের মতো সুযোগ রয়েছে। এই রাজে্যই চারটি সরকারি অস্ত্র কারখানা রয়েছে। অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডের প্রধান দফতর এই শহরেই। এই করিডর তৈরি হলে পূর্ব ভারতে কর্মসংস্থান বাড়বে। পশ্চিম থেকে পূর্ব ভারতে যাতে ডিফেন্স প্রোডাকশন করিডর তৈরি করার বিষয়ে সেনা কর্তাকে প্রস্তাব দেন অরূপ রাহা। এই বিষয়ে এম এম নারাভান জানান, তিনি সেনাবাহিনীর নতুন গুরুত্বপূর্ণ পদাভিষিক্ত হয়ে দিল্লি যাচ্ছেন। তিনি এই প্রস্তাবটি বিবেচনা করার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে জানাবেন।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: কর্মীর বাড়িতে ইঁদুর আতঙ্কে কাঁটা মন্ত্রী! বিনিদ্র রাত কাটল শোভনদেবের ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.