Kirti Azad

১৫ লাখ টাকা তোলাবাজি! হাই কোর্টের নির্দেশে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি কীর্তি

গ্রেপ্তারির শঙ্কায় আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন কীর্তি আজাদ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ১৪:১৯

options
link
১৫ লাখ টাকা তোলাবাজি! হাই কোর্টের নির্দেশে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি কীর্তি
কীর্তি আজাদের ফাইল ছবি।

তোলাবাজির মামলায় সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি কীর্তি আজাদ (Kirti Azad)। এই মামলায় তাঁকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই মতো আজ, মঙ্গলবার একেবারে নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবন পৌঁছে যান বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের কালীঘাট তৃণমূলের এই সাংসদ। তবে তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। এই সংক্রান্ত সমস্ত প্রমাণ আছে বলেও দাবি কীর্তির।

Advertisement

অভিযোগ, গতবছর এক ব্যবসায়ীকে ফোন করে দুর্গাপুরের বাংলোতে ডাকা হয়। সেই সময় কীর্তির এক সহযোগী ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা তোলা চান। এমনকী তা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। গোপনে সম্পূর্ণ কথোপকথন রেকর্ড করেন ওই ব্যবসায়ী। সেই রেকর্ডকে হাতিয়ার করে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদ-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যবসায়ী। এফআইআর দায়ের করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নেয়। শুধু তাই নয়, তলব করা হয় মমতাপন্থী এই সাংসদকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপরেই গ্রেপ্তারির শঙ্কায় আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন কীর্তি আজাদ। দীর্ঘ শুনানিতে সাংসদের আইনজীবী একাধিক প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি জানান, ঘটনার ১৫ মাস পর এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এমনকী টাকা যে নেওয়া হয়েছিল সেই সংক্রান্ত কোনও তথ্য নেই। ফলত রাজনৈতিক উদ্দেশেই এই অভিযোগ। এরপরেই আদালত কালীঘাট তৃণমূলের এই সাংসদকে রক্ষাকবচ দেয়। শুধু তাই নয়, কড়া পদক্ষেপ না নেওয়ারও নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। তবে তদন্তে কীর্তি আজাদকে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে বলে নির্দেশে জানায় আদালত। এরপরেই এদিন ভবানী ভবনে সিআইডি জেরার মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ। অভিযোগ প্রসঙ্গে কীর্তি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। এমনকী যেদিনের কথা বলা হচ্ছে, সেদিন দুর্গাপুরেই তিনি ছিলেন না। এই সংক্রান্ত একাধিক নথি আছে বলেও জানিয়েছেন সাংসদ।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.