TMC

‘নীল-সাদা’য় নতুন লোগো প্রকাশ করল মমতা তৃণমূল, ‘ফুটবলা’র চেনাতে বড় নির্দেশ নেত্রীর

ঋত এবং কালীঘাটের মধ্যে প্রতীক 'যুদ্ধে' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আদি লোগো বা জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৭:৩৫

options
link
‘নীল-সাদা’য় নতুন লোগো প্রকাশ করল মমতা তৃণমূল, ‘ফুটবলা’র চেনাতে বড় নির্দেশ নেত্রীর
মমতা তৃণমূলের প্রকাশিত নতুন লোগো।

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হুইল চেয়ারে বসে ফুটবল হাতে প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার সেই ‘হেভিওয়েট’ নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে ‘ফুটবলার’ প্রতীক জুটেছে মমতার। ঋত এবং কালীঘাটের মধ্যে প্রতীক ‘যুদ্ধে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আদি লোগো বা জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এহেন পরিস্থিতিতে ভোটের আগে নতুন লোগো প্রকাশ করল মমতা তৃণমূল। যেখানে একেবারে মাঝেই রয়েছে নতুন প্রতীক ফুটবলার। একেবারে নীল প্রেক্ষাপটের উপরে সাদা হরফে বড় বড় করে লেখা রয়েছে দলের নতুন নাম ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’। তার মাঝে রয়েছে জাতীয় পতাকায় থাকা তিন রং। অর্থাৎ গেরুয়া, সাদা এবং সবুজের ছোঁয়া।

Advertisement

ইতিমধ্যে সমস্ত নেতা-কর্মীকে নতুন লোগো এবং প্রতীক নিয়ে ময়দানে নামার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্দেশ্য একটাই, নতুন লোগো এবং প্রতীক চেনানো।

আগামী ৬ অক্টোবর উপ নির্বাচন রয়েছে নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে। এমনকী ভোট মিটলেই কলকাতা পুরসভা-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন রয়েছে। তার আগেই নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে হাতছাড়া দলের নাম এবং তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীক। যা নিঃসন্দেহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বড় ধাক্কা। যদিও এহেন পরিস্থিতিতে কৌশলী পদক্ষেপ করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন তিনটি নাম নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছিলেন যাতে মমতাও থাকবে আবার তৃণমূলও থাকবে। সেরকমই একটি নামে মান্যতা দিয়েছে কমিশন। লোগো হিসেবে মমতার দুটি পছন্দ ছিল, একটি ফুটবলার ও একটি ব্যাট। শেষ পর্যন্ত ফুটবলার চিহ্নই এই স্বীকৃতি দিয়েছে কমিশন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

তবে কালীঘাট তৃণমূলের নয়া এই লোগো সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা জায়গা করে নিতে পারবে? মানুষ আদৌ মমতার লোগো চিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। যদিও ইতিমধ্যে সমস্ত নেতা-কর্মীকে নতুন লোগো এবং প্রতীক নিয়ে ময়দানে নামার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্দেশ্য একটাই, নতুন লোগো এবং প্রতীক চেনানো। দলের নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যে মমতাপন্থী একাধিক তৃণমূল সাংসদ এবং বিধায়ক সমাজমাধ্যমে নতুন লোগোর ছবি পোস্ট করতে শুরু করেছেন। তা বেশ সাড়াও পেয়েছে।

বলে রাখা ভালো, ছাব্বিশের ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই সদ্যপ্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসে শুরু হয় মুষলপর্ব। জয়ী ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৫ জনই নিজেদের ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি করে মমতা শিবির থেকে বেরিয়ে যান। দ্বিধাবিভক্ত দলে নাম, প্রতীক ও তহবিল নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। দুই শিবিরই দলের নাম, প্রতীক, তহবিল হাতে রাখতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বরাস্থ হয়ে নিজেদের প্রমাণ পেশ করে। কিন্তু কমিশন দীর্ঘদিন কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। শেষমেশ ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ইতি পড়ে এই প্রতীক যুদ্ধে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানায়, জোড়াফুল প্রতীক ও সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস – কোনওটিরই অস্তিত্ব নেই। মমতার শিবিরের নাম ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’, প্রতীক ‘ফুটবলার’। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’, প্রতীক ‘খাম’।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.