Kolkata Municipal Corporation

৩ বছর পেমেন্ট ‘বন্ধ’, বকেয়া না পেলে কাজ নয়! ঠিকাদারদের মনোভাবে চিন্তায় কলকাতা পুরসভা

সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে গত তিন বছরে কলকাতা পুরসভার ঠিকাদারদের পাওনা প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। ক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা বলছেন, আগের তৃণমূল সরকার পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ করিয়ে মাত্র ১০/১২ শতাংশ পেমেন্ট দিয়ে চলে গিয়েছে। এর সঙ্গে তো আর আগের সমস্ত কাজের কোটি কোটি টাকা বকেয়া।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৯:৩১

options
link
৩ বছর পেমেন্ট ‘বন্ধ’, বকেয়া না পেলে কাজ নয়! ঠিকাদারদের মনোভাবে চিন্তায় কলকাতা পুরসভা
ফাইল ছবি।

প্রায় তিন বছর পেমেন্ট না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ পুরসভার ঠিকাদাররা। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়ায় পুজোর আগে কলকাতার রাস্তা সংস্কার, সৌন্দর্যায়ন ও পুর পরিষেবা সংকটের মুখে। শুধু তাই নয়, পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের সমস্ত বিল আটকে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা। ওয়ার্ক অর্ডার থাকা সত্ত্বেও বস্তি উন্নয়ন ও নিকাশির অধিকাংশ কাজেও হাত দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ইঞ্জিনিয়াররা।

Advertisement

সূত্রের খবর, সব মিলিয়ে গত তিন বছরে কলকাতা পুরসভার ঠিকাদারদের পাওনা প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। ক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা বলছেন, আগের তৃণমূল সরকার পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ করিয়ে মাত্র ১০/১২ শতাংশ পেমেন্ট দিয়ে চলে গিয়েছে। এর সঙ্গে তো আর আগের সমস্ত কাজের কোটি কোটি টাকা বকেয়া। এত বছর ধরে সরকারি কাজ করে সরকার বদলালেও নিয়ম মেনে টাকা পেয়েছি। কথা ছিল, অডিট করে ১০ জুনের পর পেমেন্ট দেওয়া হবে। কিন্তু জুলাই হয়ে গেল, বিভিন্ন বিভাগ মিলিয়ে প্রায় দুু’হাজার ঠিকাদারের কেউ এক টাকাও পাননি। তবে বসে নেই ইঞ্জিনিয়াররা, তাঁরা পুজোর আগের রাস্তা সংস্কার, আলো ও রং করা নিয়ে ফাইল করে চলেছেন। বস্তি উন্নয়ন নিয়েও একটার পর একটা ফাইল জমা দিচ্ছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু টেন্ডার হলেও বকেয়া পেমেন্টের অজুহাত দিয়ে ঠিকাদাররা কেউই অংশ নিচ্ছেন না। স্বভাবতই পুজোর আগের কাজ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা। ঠিকাদাররা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যতক্ষণ পেমেন্ট না হবে ততক্ষণ টেন্ডার ফেলবেন না কেউ। বিশেষ করে কলকাতায় বিভিন্ন জল বা নিকাশির জন্য পিচ খুঁড়ে রাখা নির্মাণ বছর ঘুরে গেলেও ঠিকাদারদের গাফিলতিতে সেই রাস্তা মেরামত করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement

শনিবার পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পে আগের সরকার রাজ্যের তরফে ৪০ শতাংশ টাকা ম্যাচিং গ্রান্ট না দেওয়ায় প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা ফেরত চলে গিয়েছে। অথচ ওই খাতে দক্ষিণ কলকাতার চার পাঁচটি বরো এলাকায় প্রায় ৬০ কিমি রাস্তা ঠিকাদারদের মেরামতের জন্য দিলেও মেরামত শুরু না হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়ে আছে। বরো ইঞ্জিনিয়াররা ঠিকাদারদের শোকজ করলে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। পুরসভার প্রশাসক ও কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের কাছেও বহু ফাইল গিয়ে জমা হয়ে আছে। কিন্তু নানা সরকারি কাজে ব্যস্ততার কারণে সেই ফাইল ছাড়তে পারছেন না কমিশনার। স্বভাবতই ঠিকাদারদের বেঁকে বসায় নানা কাজকর্মের গতি আপাতত কিছুটা শ্লথ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.