Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

৩১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ, চা শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গ থেকেই চা শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। চা শ্রমিকদের উন্নতিতে এবার বঙ্গে ‘প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক উৎসাহ যোজনা’। এজন্য মোট ৩১৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে খবর।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১১:৫৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ১১:৫৩

options
link
৩১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ, চা শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

উত্তরবঙ্গ থেকেই চা শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। চা শ্রমিকদের উন্নতিতে এবার বঙ্গে ‘প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক উৎসাহ যোজনা’। এজন্য মোট ৩১৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে খবর। তৃণমূল কংগ্রেস জমানায় চা শ্রমিকদের জীবন আরও কঠিন হয়েছে। বাগান বন্ধ হওয়ায় কাজ হারিয়েছেন বহু শ্রমিক। শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের উন্নয়ন, স্বাস্থে নজর দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সেই অন্ধকার থেকে চা শ্রমিক ও পরিবারগুলিকে বার করে আনার বার্তা আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার উত্তরের চা শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণাও হল। এদিন শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে এই বার্তা দিয়েছেন।

রাজ্যে পালাবদলের পরে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। চা শ্রমিকদের উন্নয়ন নিয়েও ভাবছে রাজ্য সরকার। সেই আবহে এদিন শুভেন্দু অধিকারী বড় বার্তা দিলেন। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন, “দ্রুত ও সুষ্ঠু অগ্রগতির লক্ষ্যে, আমাদের রাজ্য-স্তরের কমিটি সম্প্রতি ‘প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক উৎসাহ যোজনা’ (PMCSPY) প্রকল্পটির রূপায়ণ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। মোট ৩১৩.৩০ কোটি টাকা আর্থিক বরাদ্দের মাধ্যমে আমরা আমাদের চা-শ্রমিকদের জীবনে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসছি।”

Advertisement

চা শ্রমিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা যোজনায় (CSSSY), চা বাগান এলাকায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৭২ কোটি টাকার বিনিয়োগ হচ্ছে। চা শ্রমিক আশ্রয় যোজনায় (CSAY) ৩২১টি বিশ্রামাগার নির্মাণের জন্য ধার্য হয়েছে ৬৩ কোটি টাকা। পাহাড়ি এলাকায় ৮৮টি ও সমতল এলাকায় ২৩৩টি বিশ্রামাগার হবে। সেগুলিতে আধুনিক ও মর্যাদাপূর্ণ সুযোগসুবিধা থাকবে। এইসব বিষয় খতিয়ে দেখবে জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। স্বাস্থ্য দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবে ওই দপ্তর।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.