অসুস্থতার কারণে সক্রিয় রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে গৃহবন্দি। কিন্তু বাংলার রাজনীতিতে পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবারই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন তিনি এবং তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী। বলা হচ্ছে সিপিএমের একদা দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীক ও দলের নাম সিন্দুকবন্দি হওয়ার পর ১২ বছর আগে গৌতম দেবের করা ভবিষ্যদ্বাণী ঘুরেফিরে আসছে বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে। তিনি বলেছিলেন, ‘‘মমতা এত মিথ্যে বলছেন! উনি সরকার চালাতে পারবেন না। দল ধ্বংস হবে।” আজ অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাচ্ছে সেই কথা!
আরও পড়ুন:
একযুগ আগে বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা গৌতম দেবের মন্তব্য ছিল, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী একজন প্যাথলজিক্যাল লায়ার। এত মিথ্যে কথা বললে সরকার ও দল চালানো সম্ভব নয়। দল ধ্বংস হয়ে যাবে।” প্রায় ১২ বছর আগে তৎকালীন সিপিএম নেতা গৌতম দেবের করা এই মন্তব্যই বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর নতুন করে ফিরে এল রাজনৈতিক চর্চায়।
একযুগ আগে বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা গৌতম দেবের মন্তব্য ছিল, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী একজন প্যাথলজিক্যাল লায়ার। এত মিথ্যে কথা বললে সরকার ও দল চালানো সম্ভব নয়। দল ধ্বংস হয়ে যাবে।” প্রায় ১২ বছর আগে তৎকালীন সিপিএম নেতা গৌতম দেবের করা এই মন্তব্যই বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর নতুন করে ফিরে এল রাজনৈতিক চর্চায়। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’-এর নাম এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনী প্রতীক ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ আপাতত ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। আর তারপরেই সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে গৌতমের সেই পুরনো বক্তব্য।
একইসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতার ডিএনএ-তে সমস্যা রয়েছে। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সম্পত্তি এবং তাঁর আঁকা ছবি বিক্রি নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছিলেন এই প্রাক্তন সিপিএম নেতা। গৌতম দেবের সেই মন্তব্যকে সরাসরি ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ বলা হয়নি সেই সময়। রাজনৈতিক বক্তব্য হিসাবেই তা করা হয়েছিল।
২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তাঁকে ‘প্যাথলজিক্যাল লায়ার’ বলেছিলেন গৌতম দেব। একইসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতার ডিএনএ-তে সমস্যা রয়েছে। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সম্পত্তি এবং তাঁর আঁকা ছবি বিক্রি নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছিলেন এই প্রাক্তন সিপিএম নেতা। গৌতম দেবের সেই মন্তব্যকে সরাসরি ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ বলা হয়নি সেই সময়। রাজনৈতিক বক্তব্য হিসাবেই তা করা হয়েছিল। কিন্তু ১২ বছর পর তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপের প্রেক্ষাপটে পুরনো বক্তব্যটিকেই নতুন অর্থে দেখছেন অনেকে।
বৃহস্পতিবার রাতে কমিশনের নির্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরই আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। দুই পক্ষকে বিকল্প নাম ও প্রতীকের প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই সোশাল মিডিয়ায় ঘুরছে গৌতম দেবের ২০১৪ সালের সেই মন্তব্য। তৃণমূলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তখনকার সেই আক্রমণাত্মক বক্তব্য এবং আজকের দলীয় সঙ্কটের মধ্যে কোনও সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে অবশ্য রাজনৈতিক মহলে মতভেদ রয়েছে। কিন্তু প্রায় এক যুগ আগের সেই মন্তব্য যে বর্তমান পরিস্থিতিতে ফের রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মানুষ-বন্যপ্রাণ সহাবস্থানেই বাজিমাত! জঙ্গলমহলের প্রথম অভয়ারণ্য হচ্ছে পুরুলিয়ায়
-
বাড়ির থেকে ৪০০ মিটার দূরেই মৃত্যুফাঁদ! বিশ্বকর্মা পুজো থেকে ফেরার পথে বাইক দুর্ঘটনায় মৃত যুবক
-
প্রতীক নিয়ে জটিলতা হুমায়ুনের দলেও! রেজিনগরে বিধায়কপুত্রের ‘বাঁশি’ চিহ্নে লড়াই নিয়ে চরমে অনিশ্চয়তা
-
জোড়াফুলের শ্রাদ্ধ! তৃণমূলের প্রতীক ‘মৃত্যু’তে পুরোহিত ডেকে অভিনব কর্মসূচি বিজেপির
-
নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর! মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন মমতার ‘শেষ সৈনিক’ রবিউলও? জল্পনা তুঙ্গে