Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Tarique Rahman

ব্রিকসে না এসে হাত কামড়াচ্ছিলেন! ভুল শুধরে নভেম্বরেই দিল্লি সফর তারেকের?

সদ্যসমাপ্ত ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেয়েও আসেননি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৯:১৫

options
link
ব্রিকসে না এসে হাত কামড়াচ্ছিলেন! ভুল শুধরে নভেম্বরেই দিল্লি সফর তারেকের? zoom
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ফাইল ছবি
Advertisement

‘যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব?’ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কলমে উঠে আসা কবিতার এই সংশয় বুঝি এখন প্রত্যেকের! আমজনতা থেকে কূটনৈতিক নেতারাও এমনই দ্বৈতসত্ত্বার শিকার। তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ বোধহয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একাধিকবার ভারতে আসার পরিকল্পনা করলেও ‘অহং’বোধে বারবার পিছিয়ে গিয়েছে। দিল্লিতে সদ্যসমাপ্ত ব্রিকস সম্মেলনে ১১ দেশের প্রতিনিধি এলেও গরহাজির ছিল বাংলাদেশ। আসেননি তারেক রহমান। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে চিন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধুর বন্ধুত্ব দেখে নিশ্চয় ঢাকায় বসে হাত কামড়েছেন খালেদাপুত্র! আর তাই এবার ভুল শুধরে নভেম্বরেই নয়াদিল্লি সফরে আসতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর এমনই।

সূত্রের খবর, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এনিয়ে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন। দু’দেশের সুসম্পর্ক ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দুই রাষ্ট্রনেতার মুখোমুখি সাক্ষাৎ, বৈঠক যে জরুরি, অভিজ্ঞ রাজনীতিক-কূটনীতিক ত্রিবেদী তা বেশ ভালোই বোঝেন। আর তাই তারেক রহমানের ভারত সফর সফল করার উদ্দেশে লাগাতার একাধিক পদক্ষেপ করছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন ত্রিবেদী।

সূত্রের খবর, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এনিয়ে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন। দু’দেশের সুসম্পর্ক ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দুই রাষ্ট্রনেতার মুখোমুখি সাক্ষাৎ, বৈঠক যে জরুরি, অভিজ্ঞ রাজনীতিক-কূটনীতিক ত্রিবেদী তা বেশ ভালোই বোঝেন। আর তাই তারেক রহমানের ভারত সফর সফল করার উদ্দেশে লাগাতার একাধিক পদক্ষেপ করছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন ত্রিবেদী। নভেম্বরে নয়াদিল্লি সফর হলে সেসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন, বাণিজ্য প্রসার এবং গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি নবীকরণের মতো বিষয়গুলি প্রাধান্য পাবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এনিয়ে শুক্রবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর জানান, ভারতকে ঘিরে অতিরিক্ত আগ্রহ বা ‘মোহ’ নেই। সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি থেকে বেরিয়ে এসে পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ায় দু’দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। তারেকের দিল্লি সফরে সেটাই একটা বড় কাঁটা, এনিয়ে আর সংশয় নেই। তবে আগামী নভেম্বরে সেসব উপড়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হবে বলেই আশাবাদী হাইকমিশনার ত্রিবেদী। এখনও অবশ্য এ বিষয়ে দিল্লির কাছে কোনও তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.