‘যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব?’ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কলমে উঠে আসা কবিতার এই সংশয় বুঝি এখন প্রত্যেকের! আমজনতা থেকে কূটনৈতিক নেতারাও এমনই দ্বৈতসত্ত্বার শিকার। তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ বোধহয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একাধিকবার ভারতে আসার পরিকল্পনা করলেও ‘অহং’বোধে বারবার পিছিয়ে গিয়েছে। দিল্লিতে সদ্যসমাপ্ত ব্রিকস সম্মেলনে ১১ দেশের প্রতিনিধি এলেও গরহাজির ছিল বাংলাদেশ। আসেননি তারেক রহমান। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে চিন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধুর বন্ধুত্ব দেখে নিশ্চয় ঢাকায় বসে হাত কামড়েছেন খালেদাপুত্র! আর তাই এবার ভুল শুধরে নভেম্বরেই নয়াদিল্লি সফরে আসতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর এমনই।
সূত্রের খবর, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এনিয়ে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন। দু’দেশের সুসম্পর্ক ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দুই রাষ্ট্রনেতার মুখোমুখি সাক্ষাৎ, বৈঠক যে জরুরি, অভিজ্ঞ রাজনীতিক-কূটনীতিক ত্রিবেদী তা বেশ ভালোই বোঝেন। আর তাই তারেক রহমানের ভারত সফর সফল করার উদ্দেশে লাগাতার একাধিক পদক্ষেপ করছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন ত্রিবেদী।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এনিয়ে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন। দু’দেশের সুসম্পর্ক ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দুই রাষ্ট্রনেতার মুখোমুখি সাক্ষাৎ, বৈঠক যে জরুরি, অভিজ্ঞ রাজনীতিক-কূটনীতিক ত্রিবেদী তা বেশ ভালোই বোঝেন। আর তাই তারেক রহমানের ভারত সফর সফল করার উদ্দেশে লাগাতার একাধিক পদক্ষেপ করছেন তিনি। শোনা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন ত্রিবেদী। নভেম্বরে নয়াদিল্লি সফর হলে সেসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন, বাণিজ্য প্রসার এবং গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি নবীকরণের মতো বিষয়গুলি প্রাধান্য পাবে।
এনিয়ে শুক্রবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর জানান, ভারতকে ঘিরে অতিরিক্ত আগ্রহ বা ‘মোহ’ নেই। সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি থেকে বেরিয়ে এসে পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ায় দু’দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। তারেকের দিল্লি সফরে সেটাই একটা বড় কাঁটা, এনিয়ে আর সংশয় নেই। তবে আগামী নভেম্বরে সেসব উপড়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হবে বলেই আশাবাদী হাইকমিশনার ত্রিবেদী। এখনও অবশ্য এ বিষয়ে দিল্লির কাছে কোনও তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘মোদিজির নেতৃত্বে বিশ্বগুরু হবে ভারত’, প্রধানমন্ত্রীকে ‘হৃদ মাঝারে’ রাখতে চান কৌস্তভ
-
সুর কানে গেলেই তৈরি সরগম! ১ মিনিটে ২০ কর্ড চিনে গিনেস রেকর্ড মধ্যমগ্রামের যশমিতার
-
যুদ্ধের মাঝেই ট্রাম্পের দেশে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট! ভিসা মঞ্জুর আমেরিকার, গ্রেপ্তারেও না
-
এবার অষ্টমীতে সব্বার নজর আপনার দিকে! এই ৫ উপায়ে শাড়িতে হয়ে উঠুন অনন্যা
-
বাপ কা বেটা! দ্রাবিড়-শেহওয়াগ পুত্রের ব্যাটে অজি-বধ ভারতের জুনিয়রদের