বাপ কা বেটা, সিপাহি কা ঘোড়া, কুছ নহি তো থোড়া থোড়া। প্রবাদটির সঙ্গে কে না পরিচিত! শুক্রবার রাজকোটে যেন সেই প্রবাদকেই সত্যি করে দেখালেন দুই কিংবদন্তির পুত্র। অন্বয় দ্রাবিড় ও আর্যবীর শেহওয়াগ। বাবারা এক সময় দেশকে জিতিয়েছেন। এবার তাঁদের ছেলেদের পালা। বীরু-রাহুলের পুত্র দেশের জার্সি গায়ে মান রাখলেন।
অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ রানে জয় পেল ভারত। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি হয় ২০ ওভারের। আর্যবীর বিশেষজ্ঞ ব্যাটার। অন্বয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। তাঁরা কেমন খেলেন, সেদিকে নজর ছিল। ছয় নম্বরে নেমে অন্বয় মাত্র ১৮ বলে করলেন ৩৮ রান। দু’টি চার এবং তিনটি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস। স্ট্রাইক রেট ২১১.১১। অন্যদিকে, বাবার মতোই ওপেন করতে নেমেছিলেন আর্যবীর। ২৬ বলে ২৮ রান করলেন। সঙ্গে পাঁচটি বাউন্ডারি। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বুঝিয়ে দিলেন, শেহওয়াগ-রক্তের ঝাঁজ এখনও রয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে যশবর্ধন চৌহানের নামও বলতে হয়। ব্যাট হাতে ৩৪ বলে ৫৪ রান করার পাশাপাশি নিলেন দু-দু’টি উইকেট। পাঁচটি চার ও দু’টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস ভারতের রানকে লড়াইয়ের জায়গায় নিয়ে যায়। এক সময় ১২ ওভারে ৮৮/৪ হয়ে গিয়েছিল ভারত। সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে অন্বয়কে সঙ্গে নিয়ে ৬৯ রানের জুটি গড়েন। সেই জুটির দৌলতেই ২০ ওভারে ১৮২/৬-এ পৌঁছে যায় ভারত।
রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও কম যায়নি। তাদের তিন ব্যাটার ৪০ বা তার বেশি রান করেন। শেষ ১১ বলে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজন ছিল ২৪ রান। অধিনায়ক জ্যাক জোনেক পরপর তিনটি চার মেরে অজি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ২৫ বলে পূর্ণ করেন হাফসেঞ্চুরিও। কিন্তু শেষ হাসি ভারতের। শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ১১ রান। ডানহাতি পেসার মোহিত উলভা চাপের মুহূর্তে যে বোলিং করলেন, তার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। মাত্র ৩ রান দিয়ে ম্যাচ বার করে নেন। ১৭৫/৭-এ থেমে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নির্বাচনের নামে ‘ছেলেখেলা’! যুদ্ধবিরোধী দলের নির্বাচনী অধিকার কেড়ে ভোট শুরু পুতিনের রাশিয়ায়
-
‘হাজারবার চেয়েছি পুরুষদের ঋতুস্রাব হোক’, কেন একথা বললেন শ্রুতি?
-
‘তৃণমূল ধ্বংস হবে’, মমতার জীবনে একযুগ পর মিলে গেল গৌতম দেবের ভবিষ্যদ্বাণী!
-
জেলের শৌচালয়ে বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেই চন্দ্রকোনা থানার ওসি ক্লোজ, চলছে বিভাগীয় তদন্ত
-
এশিয়াডেও ‘নকভি জুজু’, পিসিবি প্রধানের হাত থেকে পদক নেবেন হরমন-শ্রেয়সরা?