গত ৭ মাস ধরে যুদ্ধ চলছে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে। এই যুদ্ধের মাঝেই নিউ ইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেস্কিয়ান ও বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তাঁদের ভিসা মঞ্জুর করেছে মার্কিন বিদেশ দপ্তর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথমবার রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকে যোগ দিতে আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন পেজেস্কিয়ান ও আরাঘচি। তবে এই সফরে বড়সড় প্রশ্ন সামনে আসতে শুরু করেছে তা হল, এই সফরে আমেরিকা কি গ্রেপ্তার করতে পারে পেজেস্কিয়ানকে?
জানা যাচ্ছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দপ্ততে বসছে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই পেজেস্কিয়ান ও আরাঘচির ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ সত্ত্বেও তাঁরা যাতে অধিবেশনে যোগ দিতে পারেন সেই লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভিসা অনুমোদন করা হলেও সূত্রের খবর, ইরানি প্রতিনিধিদলের উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। যেমন, তাঁদের উপর থাকবে ভ্রমণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, মার্কিন পণ্য কেনার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা। এছাড়াও অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের প্রতিনিধিদলটি সদস্য সংখ্যা হবে কম।
আরও পড়ুন:
ভিসা অনুমোদন করা হলেও সূত্রের খবর, ইরানি প্রতিনিধিদলের উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হবে। যেমন, তাঁদের উপর থাকবে ভ্রমণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, মার্কিন পণ্য কেনার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা।
শুধু তাই নয়, ইরানের রাষ্ট্রনেতাদের উপর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও মার্কিন প্রশাসন কোনওভাবেই তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারবেন না। বরং আমেরিকার মাটিতে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ আইনি সুরক্ষা ভোগ করবেন তারা। রাষ্ট্রসংঘের ঘেরাটোপে লাগু হবে না মার্কিন আইন। রাষ্ট্রনেতারা থাকবেন আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে। আর রাষ্ট্রসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হলেও আমেরিকা কোনও বিদেশি প্রতিনিধিকে রাষ্ট্রসংঘের দাপ্তরিক কাজে অংশগ্রহণে বাধা দিতে পারে না। তবে অবশ্যই রাষ্ট্রসংঘের বাইরে তাঁদের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ হতে পারে। যার জেরেই সফরে অনুমতি দেওয়া হলেও বাইরে অবাধ ঘোরাফেরায় জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
ইরানকে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য ভিসা দেওয়া হলেও প্যালেস্টাইনের ভিসা আবারও খারিজ করেছে আমেরিকা। সেখানকার মাহমুদ আব্বাস এই অধিবেশনে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তবে তাঁর ভিসা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। আমেরিকা প্যালেস্টাইন অথোরিটি (PA) এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যার জেরে টানা ২ বছর আব্বাসকে ভিসা দিল না আমেরিকা। গতবছরের মতো এবারও তাঁকে ভিডিও কলে ভাষণ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নির্বাচনের নামে ‘ছেলেখেলা’! যুদ্ধবিরোধী দলের নির্বাচনী অধিকার কেড়ে ভোট শুরু পুতিনের রাশিয়ায়
-
‘হাজারবার চেয়েছি পুরুষদের ঋতুস্রাব হোক’, কেন একথা বললেন শ্রুতি?
-
‘তৃণমূল ধ্বংস হবে’, মমতার জীবনে একযুগ পর মিলে গেল গৌতম দেবের ভবিষ্যদ্বাণী!
-
জেলের শৌচালয়ে বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেই চন্দ্রকোনা থানার ওসি ক্লোজ, চলছে বিভাগীয় তদন্ত
-
এশিয়াডেও ‘নকভি জুজু’, পিসিবি প্রধানের হাত থেকে পদক নেবেন হরমন-শ্রেয়সরা?