প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ির মালিক হবেন মহিলারাই। অন্নপূর্ণা দিবসের দিন একথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যে ঘোষণায় খুশি গোটা গ্রামবাংলার মা-বোনেরা। কিন্তু জেলায় জেলায় সার্ভে করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে নয়া বিপত্তি। একই পরিবারে একাধিক মহিলা সদস্যা থাকলে কার নামে বাড়ি হবে, সেটা নিয়েই বেধেছে বিপত্তি। এই বিষয়ে পরিবারে, ভাই-ভাইয়ে বিবাদও দেখা যাচ্ছে বলে খবর। কিন্তু কেন এই বিবাদ?
আরও পড়ুন:
পঞ্চায়েত দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, ধরা যাক এক পরিবারে তিন ভাই। তাঁরা বিবাহিত। এবার তিন বউয়ের কার নামে আবাসের বাড়ি হবে? এবার প্রত্যেকেরই দাবি, তাঁর নামেই হোক আবাসের বাড়ি। কোথাও সংসারে অশান্তি চলছে। কোথাও আবার জায়ে জায়ে চুলোচুলির খবরও কানে এসেছে! আর এই দাবিতেই সমস্যায় পড়েছেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করা সরকারি কর্মীরা। বিষয়টি তাঁরা উচ্চ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। সেখান থেকে রিপোর্ট আসে পঞ্চায়েত দপ্তরের কাছে। ফলে বাড়ি কার নামে হবে, তা নিয়ে হয় বৈঠক। দপ্তরের এক কর্তার কথায়, বিষয়টি বেশ গোলমেলে।
প্রাথমিকভাবে ঠিক ছিল, পরিবারে বয়সে প্রবীণ মানে, মা, দিদা, ঠাকুমা, এদের নামেই হবে বাড়ি। কিন্তু তাঁরা যদি কেউ জীবিত না থাকেন, সেক্ষেত্রে তো পরিবারে থাকা অন্য কোনও মহিলার নামেই হবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি। কিন্তু বহু পরিবারে দাবিদার একাধিক। তাই ঠিক হয়েছে, পরিবারের সদস্যাদের মধ্যে বয়সে যিনি বড়, তাঁর নামেই হবে বাড়ি। জেলায় জেলায় একথা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রাথমিক আবেদনের পর এবার হবে ঝাড়াই-বাছাই। কারণ এই বাড়ি পাওয়ার যে নিয়ম তা এই উপভোক্তা পূরণ করতে পারছেন কি না তা দেখা হবে। সেই সমীক্ষার কাজও শুরু হয়েছে।
নবান্নের এক কর্তার কথায়, প্রত্যেকের মাথার উপর ছাদ দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই কোনও যোগ্য উপভোক্তা যাতে প্রধানমন্ত্রী আবাসের তালিকা থেকে বাদ না যান, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে আধিকারিকদের। নয়া সরকার নারী ক্ষমতায়নে জোর দিয়েছে। সেই ভাবনা থেকেই এই আবাসের বাড়ি পরিবারের মহিলাদের নামে করার ঘোষণা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের