নামমাত্র ‘সর্বহারা’র দল। পার্টি সংগঠনে মধ্যবিত্তের আধিক্য, পিছিয়ে পড়া অংশের প্রতিনিধিত্ব কমছে। সিপিএমের নেতৃত্ব স্তরে পিছিয়ে প্রকৃত কৃষক, শ্রমিক বা দরিদ্ররা। সেই জায়গা পূরণ করেছে মধ্যবিত্তদের অংশ। এই অবস্থায় পার্টির নীতি বজায় রাখতে প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্য রক্ষা করতেই হবে, কড়া নির্দেশিকা আলিমুদ্দিনের। আগামী দু’বছরের মধ্যে প্রকৃত ‘সর্বহারা’দের দলে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিল সিপিএম।
সূত্রের খবর, পার্টির সদস্যপদ ও নেতৃত্বের সামাজিক বিন্যাসে মধ্যবিত্তের উপস্থিতি এখনও উল্লেখযোগ্য। ফলে যে শ্রেণি ও অংশকে সামনে রেখে কমিউনিস্ট পার্টির মূল রাজনৈতিক লড়াই, সংগঠনের দৈনন্দিন কাঠামোয় তাঁদের প্রতিনিধিত্বের অনুপাত ভাবাচ্ছে নেতৃত্বকে। সিপিএমের সাম্প্রতিক সর্বভারতীয় সাংগঠনিক রিপোর্টেও কৃষি-শ্রমিক ও গরিব কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানোর প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
শ্রমিক-কৃষকের দল। অথচ দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় সেই শ্রেণির প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আত্মসমালোচনার পথে সিপিএম। গরিব কৃষক, খেতমজুর, কারখানা শ্রমিক, সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশ, সংখ্যালঘু, মহিলা ও যুবদের আরও বেশি করে পার্টির সংগঠনে নিয়ে আসার লক্ষ্যে এবার শাখা স্তর পর্যন্ত নির্দেশ পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। সূত্রের খবর, পার্টির সদস্যপদ ও নেতৃত্বের সামাজিক বিন্যাসে মধ্যবিত্তের উপস্থিতি এখনও উল্লেখযোগ্য। ফলে যে শ্রেণি ও অংশকে সামনে রেখে কমিউনিস্ট পার্টির মূল রাজনৈতিক লড়াই, সংগঠনের দৈনন্দিন কাঠামোয় তাঁদের প্রতিনিধিত্বের অনুপাত ভাবাচ্ছে নেতৃত্বকে। সিপিএমের সাম্প্রতিক সর্বভারতীয় সাংগঠনিক রিপোর্টেও কৃষি-শ্রমিক ও গরিব কৃষকদের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানোর প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আগামী দু’বছরের মধ্যে পার্টির সংগঠনে ওই অংশের প্রতিনিধিত্ব ৩০ শতাংশের বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হচ্ছে বলে পার্টি সূত্রের খবর। শুধু সদস্যপদ নয়, বিভিন্ন স্তরের কমিটিতেও তাঁদের উপস্থিতি বাড়ানোয় জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে মহিলাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আগামী দু’বছরের মধ্যে পার্টির সংগঠনে ওই অংশের প্রতিনিধিত্ব ৩০ শতাংশের বেশি করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হচ্ছে বলে পার্টি সূত্রের খবর। শুধু সদস্যপদ নয়, বিভিন্ন স্তরের কমিটিতেও তাঁদের উপস্থিতি বাড়ানোয় জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে মহিলাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে আরও তাৎপর্যপূর্ণ। দলের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে রাজ্যে সিপিএমের মহিলা সদস্যের হার ছিল মাত্র ১১.৪ শতাংশ, যা ২০২১ সালের ১০.৮ শতাংশের চেয়ে সামান্য বৃদ্ধি পায়। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক রিপোর্টেই বাংলায় মহিলা সদস্য সংগ্রহে খামতি বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
রবিবার ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআইয়ের ‘ইনকিলাব সমাবেশ’-এ যুব জমায়েতে দল খুশি হলেও, দলীয় পর্যবেক্ষণে সমাজের দরিদ্র ও পিছিয়ে থাকা অংশের তুলনায় মধ্যবিত্তের উপস্থিতিই বেশি চোখে পড়েছে। সমাবেশে ছাত্র-যুবদের পাশাপাশি বিভিন্ন অংশকে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তাই শুধু বড় সমাবেশ নয়, শাখাস্তরে সংগঠনের সামাজিক চরিত্র বদলানোই এখন সিপিএমের অন্যতম লক্ষ্য। গরিব মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা নিয়ে আন্দোলন, সেই আন্দোলন থেকে নতুন কর্মী তৈরি এবং তাঁদের পার্টির সাংগঠনিক বৃত্তে নিয়ে আসার উপরই জোর দিতে চাইছে আলিমুদ্দিন। দলের কেন্দ্রীয় রিপোর্টেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সঙ্গে যুক্ত আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন সদস্য তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিহারে পুলিশি এনকাউন্টার! কিশোরীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ মূল অভিযুক্ত
-
‘অরুণোদয় বলেছিল ঐশ্বর্য হতে পারবে না তবে…,’ বিতর্ক উসকে ফের মৌমিতার মুখে রাহুলের নাম
-
১৫ লাখ টাকা তোলাবাজি! হাই কোর্টের নির্দেশে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি কীর্তি
-
‘সংকট মোকাবিলায় বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’, রাষ্ট্রসংঘে সংস্কারের পক্ষেও সওয়াল জয়শংকরের
-
বার্লিনে লাল ঝড়! নজিরবিহীন সাফল্য অতি বামেদের, জার্মানিতে বাড়ছে ‘হিটলারপন্থী’ দলের দাপটও