Shoaib Akhtar

লুকিয়ে ড্রাগ-ইনজেকশন নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতেন! ২৭ বছর পর বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি আখতারের

১৯৯৮-৯৯ সালে ভারত সফরে এসেছিল পাকিস্তান। সেই সফরে আখতারের রীতিমতো ভয়াল রূপ দেখেছিল ক্রিকেটবিশ্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৪:২৬

options
link
লুকিয়ে ড্রাগ-ইনজেকশন নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতেন! ২৭ বছর পর বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি আখতারের
বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি আখতারের। ফাইল ছবি।

ঘণ্টায় ১৬১.৩ কিলোমিটার। ক্রিকেট ইতিহাসের দ্রুততম বলটি তিনিই করেছেন। ইদানিংকালে বহু তথাকথিত ‘স্পিডস্টার’ ক্রিকেট মাঠে দাপিয়ে বেড়ালেও তিনি যে প্রভাব ফেলতেন, বা ব্যাটারদের মধ্যে যে ভীতির সঞ্চার স্রেফ গতি দিয়ে করতে পেরেছিলেন, আর কেউ সেটা পারেননি। অন্তত সমসাময়িক ক্রিকেট সমর্থকরা সেটাই মনে করেন। সেই শোয়েব আখতার (Shoaib Akhtar) এবার বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি করলেন। পাক ক্রিকেটের কিংবদন্তি মেনে নিলেন, ভারতের বিরুদ্ধে খেলার জন্য একসময় লুকিয়ে ‘ইনজেকশন-ড্রাগ’ নিতেন তিনি।

Advertisement

১৯৯৮-৯৯ সালে ভারত সফরে এসেছিল পাকিস্তান। সেই সফরে আখতারের রীতিমতো ভয়াল রূপ দেখেছিল ক্রিকেটবিশ্ব। আরও একজন পাক বোলারকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল ভারতীয় ব্যাটারদের পক্ষে। তিনি স্পিনার সাকলিন মুস্তাক। ২৭ বছর বাদে এসে আখতার স্বীকার করলেন ওই সিরিজে সিনিয়রদের চোখ এড়িয়ে ইনজেকশন-ড্রাগ নিয়ে খেলতে নামতেন তাঁরা দু’জনেই। আসলে আখতার এবং সাকলিন আজন্ম নিজেদের কেরিয়ারে হাঁটুর চোটে ভুগেছেন। তাই খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ওষুধ আর ইনজেকশন নেওয়া ছাড়া কোনও উপায় তাঁদের ছিল না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আখতার এক টেলিভিশন শো-তে বলছিলেন, “আমার হাঁটু ফুলে থাকত। আসলে ওই জায়গাটা তরলে ভোরে গিয়েছিল। সাকলিনের হাঁটু তো ১৯৯৬ সালেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর আমারটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল ১৯৯৭ সালে। আমরা দু’জনেই লুকিয়ে ওষুধ খেতাম, ইনজেকশন নিতাম। কোনও সিনিয়র যদি এটা জানত, তাহলে সাকলিনকে ছুঁড়ে ফেলে দিত। আর আমি তো আগেই ওদের টার্গেট ছিলাম। আখতার মজার ছলে বলছিলেন, “ওই সিরিজে আমার আর সাকলিনের মধ্যে চ্যালেঞ্জ হত, শচীনের উইকেটটা কে নেবে। ও যে ম্যাচে নিত পরের ম্যাচে আমি বলতাম, শচীন আমার শিকার।”

Advertisement

আখতার মজার ছলে বলছিলেন, “ওই সিরিজে আমার আর সাকলিনের মধ্যে চ্যালেঞ্জ হত, শচীনের উইকেটটা কে নেবে। ও যে ম্যাচে নিত পরের ম্যাচে আমি বলতাম, শচীন আমার শিকার।”

এখানেই প্রশ্ন উঠছে, কী এমন ওষুধ খেতেন আখতাররা যা কিনা গোপনে নিতে হত? নিজের দলের সিনিয়ররা দেখলেও বাদ পড়ার সম্ভাবনা ছিল? তাহলে কি নিষিদ্ধ কোনও ওষুধ নিতেন আখতার? যদিও সেই সম্ভাবনা কম। কারণ ক্রিকেটারদের নিয়মিত ডোপ টেস্ট করা হয়। ফলে কেউ ডোপ করলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.