পর্তুগাল: ২ (ফার্নান্ডেজ ২)
উরুগুয়ে: ০
দুলাল দে: গত বিশ্বকাপে রোনাল্ডোদের স্বপ্নভঙ্গ করেছিল উরুগুয়ে। এডিনসন কাভানির জোড়া গোলে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচেই হারতে হয়েছিল পর্তুগালকে। মঙ্গলবার সেই হারের মধুর প্রতিশোধ নিলেন ব্রুনো ফার্নান্ডেজরা। ঘানাকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলেন রোনাল্ডোরা। এদিনের জয়ে বিশ্বকাপের (Qatar World Cup) নকআউট পর্বের টিকিট পাকা করে ফেলল পর্তুগাল, এক ম্যাচ বাকি থাকতেই।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করতে পারত পর্তুগাল (Portugal vs Uruguay)। ডান কাঁধের জোরে বল নামিয়ে মেন্দেসের পায়ে সাজিয়ে দিয়েছিলেন রোনাল্ডো। গোল লক্ষ্য করে ঠিকমতো শট মারতে পারলেন না মেন্দেস। কিছুক্ষণ পরে পেনাল্টি বক্সের কাছেই ফ্রি-কিক পেয়েছিল পর্তুগাল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি সি আর সেভেন। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও পেনাল্টি বক্স টপকে গোল করতে পারেননি পর্তুগাল ফরোয়ার্ডরা।
[আরও পড়ুন: কাতারে অব্যাহত জোগা বোনিতো, সুইসদের হারিয়ে নকআউটে নেইমারহীন ব্রাজিল]
কারণ দুর্ভেদ্য প্রাচীরের মতো খেলছিলেন গডিনরা। পর্তুগালের ফুটবলাররা বল নিয়ে এগোলেই পুরো দল নেমে এসে ডিফেন্স করেছে। গোলকিপার পর্যন্ত পর্তুগালের একটাও শট যেতে দেননি উরুগুয়ে ডিফেন্ডাররা। পর্তুগাল নয়, প্রথমার্ধে গোলের সেরা সুযোগ তৈরি করেছিল উরুগুয়েই। মাঝমাঠ থেকে একাই বল নিয়ে ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে পেনাল্টি বক্সে ঢুকেছিলেন বেন্তানকুর। কিন্তু গোলকিপার দিয়েগো কোস্তাকে কাটিয়ে গোল করতে পারেননি টটেনহ্যামের মিডফিল্ডার। গোলশূন্য ভাবে শেষ হয় ম্যাচের প্রথমার্ধ।
ম্যাচের রং পালটে যায় হাফ টাইমের পর। রক্ষণের খোলস ছেড়ে আক্রমণের পথে হাঁটে উরুগুয়ে। সেই সুযোগকেই কাজে লাগায় পর্তুগাল। ৫৪ মিনিটে রোনাল্ডোকে লক্ষ্য করে নিখুঁত ক্রস বাড়িয়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্ডেজ। উড়ে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে দেন রোনাল্ডো। মাটি ঘেঁষে জালে জড়িয়ে যায় বলটি। বেশ খানিকক্ষণ পরে সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হয়, গোলদাতা রোনাল্ডো নন, ফার্নান্ডেজ। প্রাথমিক ভাবে মনে হয়েছিল রোনাল্ডোর হেড থেকেই গোল হয়েছে। কিন্তু পরে জানা যায়, ব্রুনোর ক্রস সরাসরি গোলে ঢুকেছে।
৭৫ মিনিটে মাঠে নামেন সুয়ারেজ ও গোমেজ। তাঁদের সঙ্গেই উরুগুয়ের আক্রমণে ঝাঁজ বাড়তে থাকে। একাধিকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও সঠিক ফিনিশের অভাবে পিছিয়ে থাকতে হয় লাতিন আমেরিকার দেশটিকে। ম্যাচের শেষে পেনাল্টি পায় পর্তুগাল। নিখুঁত শটে গোল করেন ফার্নান্ডেজ। হ্যাটট্রিক করার সুবর্ণ সুযোগ ছিল ম্যান ইউ ফুটবলারের সামনে। কিন্তু বারে ধাক্কা খায় তাঁর গোলমুখী শট।
অন্যদিকে, ম্যাচের মধ্যেই ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ করার বার্তা দিতে ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। সমকামীদের সমর্থনে প্রাইড ফ্ল্যাগও ওড়ান তিনি। তবে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
[আরও পড়ুন: ‘ইরানের হয়ে মাঠ ভরাচ্ছে বাংলাদেশি-পাকিস্তানিরা’, চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরলেন মজিদের বন্ধু]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!