Bangkok

মধ্যরাতে ব্যাংককের পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু, আহত বহু

অগ্নিকাণ্ডের পর প্রাণে বাঁচতে পাবের শৌচালয়ে আশ্রয় নেন বেশিরভাগ মানুষ। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে বেশিরভাগ মৃতদেহ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৭:০৭

options
link
মধ্যরাতে ব্যাংককের পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু, আহত বহু
ব্যাংককের পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু।

গভীররাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের (Bangkok) পানশালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৬৩ জন। অগ্নিকাণ্ডের পর প্রাণে বাঁচতে পাবের শৌচালয়ে আশ্রয় নেন বেশিরভাগ মানুষ। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে বেশিরভাগ মৃতদেহ। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

Advertisement

জানা গিয়েছে, রবিবার রাত ১১.৫৭ মিনিট নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে উত্তর ব্যাংককের না লাডপ্রাও নামের এক পাবে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলবাহিনী। ৩০ মিনিটের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা হয় আগুন। যদিও ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছে। পাবের মধ্য থেকে উদ্ধার করা হয় ২৭ জনের মৃতদেহ। পাশাপাশি ৬৩ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ব্যাংককের গভর্নর চ্যাডচার্ট সিট্টিপুন্ট দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘আগুন অতি দ্রুত সিলিং পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এত দ্রুত আগুন ভয়াবহ আকার ধারন করে যে বেশিরভাগ মানুষ বের হওয়ার সুযোগই পাননি। ধোঁয়ায় ভয়ে যায় গোটা অঞ্চল। বেশিরভাগেরই মৃত্যু হয়েছে দমবন্ধ হয়ে।’

Advertisement

ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে বেশিরভাগই ভবনটির পেছনে গিয়ে শৌচাগারে লুকানোর চেষ্টা করেছিল এবং সেখানেই বেশিরভাগ মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

ঘটনার একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে জ্বলছে পাব। প্রাণে বাঁচতে সেখান থেকে ছুটে বেরিয়ে আসছেন মানুষজন। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পাবে থাকা বেশিরভাগই সময়ে বের হতে পারেননি। যার জেরেই এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে বেশিরভাগই ভবনটির পেছনে গিয়ে শৌচাগারে লুকানোর চেষ্টা করেছিল এবং সেখানেই আমরা বেশিরভাগ মৃতদেহ খুঁজে পেয়েছি।”

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, পাবটিতে দুটি জরুরি নির্গমন পথ ছিল, যার মধ্যে একটি রান্নাঘরের পাশ দিয়ে গিয়েছে। এই নির্গমন পথগুলির যথেষ্ট নিরাপদ ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাবটির সরকারি অনুমতিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। প্রত্যক্ষদর্শী ট্যাক্সি চালক সুরিন জয়াহার্ন বলেন, বারটির দরজা থেকে রাস্তার দিকে আগুনের লেলিহান শিখা বের হচ্ছিল। তিনি অন্তত পাঁচজনকে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.