করোনা ভাইরাস

করোনা সংক্রমণ রুখতে ‘নোটবন্দি’র পথে চিন, বাজারে আসছে জীবাণুমুক্ত নতুন ইউয়ান

৪০০ কোটি ইউয়ানের নতুন নোট এসেছে বাজারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ১৭:৩১

options
link
করোনা সংক্রমণ রুখতে ‘নোটবন্দি’র পথে চিন, বাজারে আসছে জীবাণুমুক্ত নতুন ইউয়ান
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংক্রমণের আশঙ্কায় বাড়িতেই বাসিন্দাদের বন্দি থাকার নির্দেশিকা জারি করেছে প্রশাসন। এবার আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ‘নোটবন্দি‘র পথে হাঁটল চিন। পুরনো নোট বাতিল করে ছাপানো হয়েছে ৪০০ কোটি ইউয়ান। নতুন নোট বাজারে ছাড়ার আগে তা জীবাণুমুক্ত করা হবে। আপাতত পুরনো নোট সংগ্রহ করে নিজেদের ভাঁড়ারে রাখবে চিনের সেন্ট্রাল ব্যাংক। বদলে মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে নতুন নোটের বান্ডিল। সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানিয়েছেন সেন্ট্রাল ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ফ্যান ইয়েফেই।

Advertisement

২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর। কালোবাজারি রুখতে, সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সুফলের কথা ভেবে নরেন্দ্র মোদি সরকার পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করেছিল। তাতে কাজের কাজ কতটা হয়েছে, তা এখনও বিতর্কসাপেক্ষ। এবার সেই পথে হেঁটে করোনা রুখতে চিনও নোটবাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর করল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বাগদাদের মার্কিন দূতাবাস সংলগ্ন সেনা ক্যাম্পে রকেট হামলা, সন্দেহের তির ইরানের দিকে]

স্রেফ সংস্পর্শেই ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস বা Covid-19. একজনের হাত থেকে নোটবদল হচ্ছে অপর জনের হাতে। তা থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা। তাই পুরনো নোট বিশেষত হাসপাতাল এবং বাজারে ব্যবহৃত নোটগুলি সংগ্রহ করে ব্যাংকের কোষাগারে তুলে রাখা হয়েছে। অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে নতুন নোট এবং কয়েনগুলিকে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করে তবেই বাজারে ছাড়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সেন্ট্রাল ব্যাংক। রাতারাতি ৪০০ কোটি ইউয়ান মূল্যের নোট ছাপিয়ে আমজনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বড় অঙ্কের নোটই বেশি বাতিল করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ইউরোপেও থাবা বসাল করোনা ভাইরাস, ফ্রান্সে প্রবীণ চিনা পর্যটকের মৃত্যু]

তবে সেন্ট্রাল ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ফ্যান জানিয়েছেন, অত্যন্ত দ্রুততা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে নোটবাতিল এবং নতুন নোট বাজারে আনার পদ্ধতিটি কার্যকর করা হয়েছে। বিশেষত হুবেই প্রদেশ, যেখান থেকে মূলত করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে, সেখানের পুরনো নোট সংগ্রহ করে গুদামে রাখা হয়েছে। এভাবে নোটবাতিলের জন্য সাধারণ মানুষের অর্থাভাব হবে না বলেই নিশ্চিত করেছেন সেন্ট্রাল ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ফ্যান ইয়েফেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন