২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত ফেসবুক পোস্টের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ওই ফেসবুক পোস্টের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখানোর সময় একদল উত্তেজিত জনতার উপর গুলি চালায় পুলিশ। এর জেরে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত ভোলা উপজেলার বোরহানউদ্দিনে। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে জখম হয়েছেন আরও শতাধিক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওই এলাকায় ৪ কোম্পানি বিজিবি জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে একদলকে হেলিকপ্টারে করে জরুরি ভিত্তিতে ভোলায় পাঠানো হয়। বাকি তিনটি দল যায় সড়কপথে।

[আরও পড়ুন: ‘আবরার হত্যা তদন্ত শেষ না হলে পরীক্ষা নয়’, পড়ুয়াদের দাবিতে সায় দিল বুয়েট]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ফেসবুক পোস্টে হজরত মহম্মদ ও ইসলামকে কটূক্তি করার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে কিছু মানুষ। ভোলার বোরহানউদ্দিন এলাকায় সকাল ১১টা নাগাদ বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে বারবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ। একসময়ে পুলিশ লক্ষ্য করে ইট ছুঁড়তে থাকে বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল পরিমাণ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। গুলিও ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। গন্ডগোলের জেরে চারজনের মৃত্যু হয়। জখম হয় ১০০ জনেরও বেশি। আহতদের মধ্যে ১০-১৫ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

এপ্রসঙ্গে বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. মহম্মদ শাহীন হোসেন অবশ্য বলেন, সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। তাঁদের মরদেহ আত্মীয়রা নিয়ে গেছেন।

[আরও পড়ুন:সমালোচনায় সিদ্ধান্ত বদল, PUBG খেলায় আর বাধা নেই বাংলাদেশে]

ভোলা উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা বিপ্লব নামে এক যুবক হজরত মহম্মদ ও ইসলামকে কটূক্তি করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করে। বিষয়টি কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে শনিবার ওই যুবক-সহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। এদিকে এই পোস্টের প্রতিবাদে রবিবার বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় স্থানীয় মুসলিমরা। বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চায়। কিন্তু, এতে বাধা দেয় পুলিশ। এরপরই উভয়পক্ষের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং