সুকুমার সরকার, ঢাকা: সোমবার সকালে ফের বিস্ফোরণে কাঁপল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এনিয়ে, চারদিনে পাঁচটি বিস্ফোরণ ঘটল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। পরপর বিস্ফোরণে গোটা অঞ্চলে ছড়িয়েছে প্রবল আতঙ্ক। হামলার নেপথ্যে মৌলবাদীদের হাত রয়েছে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ১০টার দিকে কলাভবনের ছাদ থেকে এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ক্যান্টিনের এক কর্মী। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে, ২৬ ডিসেম্বর ও ২৯ ডিসেম্বর মধুর ক্যান্টিনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কে বা কারা এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি। এদিকে, পরপর বিস্ফোরণে আতঙ্ক চড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। বারবার কেন মধুর ক্যান্টিনকেই নিশানা করা হচ্ছে? উঠছে প্রশ্ন।
[আরও পড়ুন: সমাজতান্ত্রিক মূল্যবোধে জোর, মুসলিমদের জন্য নয়া কোরান লিখবে চিন]
উল্লেখ্য, গত রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে ভিপি নুরুল হক নুর ও তাঁর সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নুর, ফারাবী ও সুহেল-সহ অন্তত ২৫ জন জখম হন। ওই ঘটনার পর উত্তাল হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ক্যাম্পাসে কয়েক দফা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন পড়ুয়ারা। ঘটনা নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় শাসকদলের ছাত্রলিগ-মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর নেতৃত্বাধীন সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। ঘটনার পর থেকেই থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। এর মধ্যেই আজ সকালে ফের ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রীতিমতো চঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘রক্ত-শোক ভোলার নয়’, বিয়ের আসরে মার্কিন হামলার নিন্দায় ইরান, ‘নীরব বিশ্ব’কে তোপ
-
প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভে ‘না’, নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তেজনা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে
-
‘সংখ্যালঘু স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ’, মাদ্রাসার জন্য মন্দির ভাঙায় পাকিস্তানকে তোপ ভারতের
-
দরজা খুলতেই আপত্তিকর দৃশ্য, সব ঘরেই স্বল্পবসনাদের ভিড়! ঝাড়গ্রামের হোটেলে হচ্ছেটা কী!
-
রয়েছে আস্ত হাসপাতাল, করেন অস্ত্রোপচারও! চিনারপার্কের ভুয়ো চিকিৎসককে ৮ বছরের কারাদণ্ড