Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
ফের কড়া লকডাউন বাংলাদেশে

অফিস খোলার প্রথম দিনই রেকর্ড সংক্রমণ, ফের কড়া লকডাউনের পথে বাংলাদেশে

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কক্সবাজারের টেকনাফে পুরোপুরি লকডাউন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২০, ১৪:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২০, ১৪:১৭

options
link
অফিস খোলার প্রথম দিনই রেকর্ড সংক্রমণ, ফের কড়া লকডাউনের পথে বাংলাদেশে zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশও হেঁটেছিল লকডাউনের পথে। ফলে মহামারী কিছুটা রোখা গিয়েছে। কিন্তু জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন অফিস, কারখানা খুলে দেওয়া ও লকডাউন ঢিলেঢালা করায় তরতরিয়ে বাড়তে থাকে মৃত্যু ও সংক্রমণ। এই অবস্থায় সরকার ফের লকডাউন আরও কঠোরভাবে আরোপে উদ্যোগী হয়েছে। আজ রবিবার, সাপ্তাহিক ছুটি শেষে অফিস খেলার প্রথম দিনেই ঢাকার ৪৩টি এলাকা বন্ধ থাকছে।

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবার এলাকাভিত্তিক লকডাউনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কয়েকটি বিমানবন্দর এলাকা, শিল্পাঞ্চল ও অভিজাত এলাকাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আক্রান্তের আধিক্য বিবেচনায় রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কার্যকর হবে স্বাস্থ্যবিধি ও আইনি পদক্ষেপ। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ কথা জানানোর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা ও ৪০০টি উপজেলায় পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচনা করে) করা হচ্ছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন) হচ্ছে পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা ও ১৯টি উপজেলায়। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন) মাত্র একটি জেলা এবং ৭৫টি উপজেলায়।

Advertisement

[আরও পডুন: ছাগল খুঁজে না পেয়ে চোখ উপড়ে ফেললেন যুবক, আজব কাণ্ড বাংলাদেশে]

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে শনিবার সর্বশেষ আপডেট করা তালিকা অনুযায়ী, ঢাকার বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন হতে চলেছে গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারিপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদি, রাজবাড়ী, শরিয়তপুর ও টাঙ্গাইলকে। এই বিভাগে শুধু ঢাকা ও ফরিদপুর আংশিক লকডাউন। করোনা সংক্রমণ রোধে ঢাকার দুই এলাকা ওয়ারি ও রাজাবাজারকে লকডাউনের আওতায় আনার ভাবনা রয়েছে।

[আরও পডুন: বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৬০ হাজারের গণ্ডি, মৃত ৮১১]

২৬ মার্চ থেকে দুই মাসের বেশি সময় সারা দেশে লকডাউন জারি রাখার পর ৩১ মে থেকে বেশিরভাগ বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে সরকার। তবে দেশে প্রতিদিন যেখানে সংক্রমণ বাড়ছে, সেখানে সব অফিস খোলার পাশাপাশি যানবাহন চলাচল শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকাভিত্তিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার অনুযায়ী লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কক্সবাজার পৌর এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করে ফের অবরুদ্ধ ঘোষণা করা হয়। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভাকে ‘রেড জোন’-এর আওতায় আনা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.